টাইমলাইনভারত

হিন্দু সেজে এলাকায় ভিক্ষা করছিল ৬ মুসলিম যুবক, পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিল জনতা

বাংলাহান্ট ডেস্ক : হিন্দু সাধু বেশে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে অর্থ সংগ্রহ করছিল একদল যুবক। তাদের কথা বার্তায় সন্দেহ হয় স্থানীয় মানুষদের। পাকড়াও করে চেপে ধরতেই সামনে এলো আসল সত্য। জানা গেল যে ঐ যুবকরা হিন্দুই নন। অর্থ রোজগারের উদ্দেশ্যে সাধু সেজে বোকা বানাচ্ছিলেন সাধারণ হিন্দুদের (Hindu)। এটা জানার পরই তাদের বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয়রাই। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) বৈশালী (Vaishali) জেলার হাজীপুরে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই ৬ মুসলিম যুবক হাতে একটি ষাঁড় নিয়ে ঘুরত বিভিন্ন এলাকায়। তাঁরা সাধারণ হিন্দুদের বলতেন, ‘কিছু পয়সা দান করুন, তাহলেই ‛নন্দী মহারাজ’-এর আশীর্বাদ লাভ হবে।’ সারাদিন এভাবেই বিভিন্ন হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় অর্থ সংগ্রহ করে বেড়ানোটাই তাদের পেশা। পরে সন্ধ্যা নামলে ভিড় জমাতো হাজীপুরের একটি মন্দিরে। সেখান মন্দিরে আসা পুণ্যার্থীদের থেকেও অর্থ ভিক্ষা করত। সেখানেই প্রসাদ খেয়ে রাত কাটাতো তারা। এভাবেই চলছিল বেশ কিছু দিন।

ধৃতরা হল করিম আহমেদ(৩৮), সৈয়দ আলী(৪০), হাসান(৩০), মেহবুব(৩২), হালিম আহমেদ(৩৫) এবং সুবরাতি মহম্মদ(৩০)। জেরায় তারা জানায় তারা সকলেই উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ-এর বাসিন্দা।
গতকাল ২৫শে জুলাই, কদমঘাট এলাকায় নন্দী মহারাজ নিয়ে অর্থ সংগ্রহ করার সময় এক ব্যক্তির একটি সন্দেহ হয়। তিনি হিন্দু ধর্ম ও শাস্ত্র বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করেন। কিন্তু সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি ৬ সাধুর মধ্যে কেউই। তারপরই ওই সাধুদের চেপে ধরেন স্থানীয়রা।

ইতিমধ্যেই স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বজরং দলের সদস্যদের খবর দিয়ে দেন। তাঁরা এসে ওই সাধু সেজে থাকা লোকদের মারধর করতে থাকেন। মারধরের চাপে তারা স্বীকার করে যে তারা আদতে হিন্দু নয়। শুধুমাত্র টাকা রোজগারের জন্যই তারা এমন রূপ ধরে ঘুরছিল। পরে তাদেরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ এসে তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে জেরায় তারা জানায় যে শ্রাবনী মেলা উপলক্ষে হিন্দুরা খুব দান করে। তাই এই মাসটিকেই টার্গেট করে তারা। এদিকে এমন ঘটনায় চিন্তিত পুলিশও। যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য নজরদারি আরও বাড়ান হবে বলে জানানো হচ্ছেমপ্রশাসনের তরফ থেকে।

Related Articles