টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গ

টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে রাম মন্দিরের জন্য ৫ হাজার টাকা দান করল ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শুক্রবার থেকে অয্যোধ্যায় তৈরি হতে চলে ভব্য রাম মন্দিরের জন্য ‘নিধি সমর্পণ অভিযান” এর শুরু হল। রাম মন্দির নির্মাণের জন্য চাঁদা সংগ্রহ অভিযান শুরু হওয়ার পর টিফিনের থেকে টাকা বাঁচিয়ে ৫ হাজার ৫ টাকা দান করল মুর্শিদাবাদের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী দেবমিতা দত্ত। জানিয়ে রাখি, দেবমিতা দত্ত হল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নগর সম্পাদক দেবাশীষ দত্তের কন্যা।

আজ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ ৫ লক্ষ ১০০ টাকা দান করে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য চাঁদা সংগ্রহের অভিযানের শুরু করেন। ওনার থেকে চাঁদা চাওয়ার জন্য শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট, বিশ্বহিন্দু পরিষদ আর স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের এক প্রতিনিধি মণ্ডল গিয়েছিল।

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ৫ লক্ষ ১০০ টাকার চেক দেন। এর আগে কেন্দ্র সরকার ১ টাকা, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ১১ লক্ষ টাকা, উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ১ কোটি টাকা আর মোরারী বাপু ১১ কোটি টাকা দান করেছিলেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র নিধি সংগ্রহ অভিযানে ভগবান রামের মন্দির বানানোর জন্য বিশ্বহিন্দু পরিষদের বিনায়ক রাও দেশমুখকে ১ লক্ষ টাকা দান করেছিলেন।

জানিয়ে রাখি শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরি মহারাজ আর বিশ্বহিন্দু পরিষদের কার্যধক্ষ অলোক কুমার সমে BHP এর নেতা রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য গিয়েছিলেন। সেই সময় ওই প্রতিনিধি মণ্ডল শ্রীরাম মন্দিরের জন্য রাষ্ট্রপতির থেকে চাঁদা চেয়েছিল। এছাড়াও BHP এর কয়েকজন নেতা উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তিবেন্দ্র সিংহ রাওয়াতের থেকেও চাঁদা চাইবেন।

রাম মন্দিরের জন্য চাঁদা জোটানোর অভিযান আজ থেকে শুরু হয়েছে। এই অভিযান অনুযায়ী, ৫ লক্ষের বেশি গ্রামে ১২ কোটির থেকে বেশি মানুষের সাথে সম্পর্ক করা হবে। মন্দির বানানোর জন্য চাঁদা সংগ্রহ করার কাজ ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। অভিযান অনুযায়ী, ১০০ টাকার আর ১০০০ টাকার কুপন করা হবে। আর ২০০০ টাকা চাঁদা দেওয়া মানুষদের রশিদ দেওয়া হবে। এই চাঁদা দিয়েই অয্যোধ্যায় ভব্য শ্রী রাম মন্দিরের নির্মাণ করা হবে।

Back to top button