বাংলাহান্ট ডেস্ক : বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে… বাংলাদেশের (Bangladesh) পরিস্থিতি এখন কার্যত এমনই। দেখতে দেখতে দু মাস কেটে গিয়েছে। এখনও বিচার অধরা সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের কাছে। বাংলাদেশের (Bangladesh) জেলে বিগত দু মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। তাঁর জামিন মামলার শুনানি এগিয়ে আনার দাবিও খারিজ হয়ে গিয়েছে ঢাকা হাইকোর্টে।
দুমাসের উপর বাংলাদেশের (Bangladesh) জেলে বন্দি চিন্ময়কৃষ্ণ দাস
দেশদ্রোহিতার ‘মিথ্যে’ অভিযোগে চিন্ময়কৃষ্ণকে জেলবন্দি করে রেখেছে মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একাধিক বার শুনানির পরেও বিচার মেলেনি। উপরন্তু চিন্ময়কৃষ্ণের হয়ে লড়তে এগিয়ে আসা আইনজীবীদের উপরে নেমে এসেছে আক্রমণ। এমতাবস্থায় প্রচণ্ড দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটছে সন্ন্যাসীর পরিবারেরও।
কী বললেন সন্ন্যাসীর মা: ছেলের জন্মের আগেই প্রয়াত হন চিন্ময়কৃষ্ণের বাবা। ছিলেন স্কুলের হেডমাস্টার। এখন ছেলের জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছেন সন্ন্যাসীর মা সন্ধ্যারানি ধর। এবিপি আনন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শুনানি হবে হবে বলেও হচ্ছে না। কোনোদিন খারাপ পথে যাননি চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। তা সত্ত্বেও তাঁর সঙ্গে এমনটা ঘটল। ধর্মের জন্য নিজের জীবন দিচ্ছেন।
আরো পড়ুন : নির্মলার অষ্টম বাজেটে হতে চলেছে বড় ঘোষণা! লাইভ দেখতে কখন-কোথায় চোখ রাখবেন? জেনে নিন
বাংলাদেশের আইন নিয়ে বিষ্ফোরক: তিনি জানান, ছেলের সঙ্গে ফোনে এক দুবার যোগাযোগ হয়েছে। মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন ছেলেকে, চিন্তা করতে বারণ করেছেন। এরপরেই বিষ্ফোরক সন্ন্যাসীর মা। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh) তো আইন নেই। আইন থাকলে, লড়াই করলে নয় হতো। কিন্তু এখানে তো আইন নেই। এই মুহূর্তে চাইছি, ও যেন বের হয়। নাহলে আমার মনে হয়, ওর জীবন নিয়ে টানোপোড়েন হবে।”
আরো পড়ুন : বাংলা ছবির ‘ট্র্যাজিক’ নায়িকা, মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিকে সিরিয়ালের জনপ্রিয় শিশুশিল্পী!
চিন্ময়কৃষ্ণকে নিয়ে তিনি আরো বলেন, ছোট থেকে সবসময় মন্দির নিয়ে থাকতেন তিনি। তাঁর যদি ওষুধ না থাকত, তাহলে এত দুঃখ করতেন না তিনি। ভারতের ওষুধও বাংলাদেশে ঢুকছে না। শরীর বিনাশ হয়ে যাচ্ছে চিন্ময়কৃষ্ণের। তাঁর মা-ও হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ছেলেকে সামনে দেখতে না পাওয়ার দুঃখ সবথেকে বেশি বাজছে মনে। ঈশ্বরের উপরেই এখন সবটা ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।