টাইমলাইনবিনোদন

‘আমি কাজ করি, চুরি-ডাকাতি করি না’, বছরে চার-পাঁচটা সিনেমা করা নিয়ে সাফ উত্তর অক্ষয়ের

বাংলাহান্ট ডেস্ক: গোদের উপরে বিষফোঁড়া। অক্ষয় কুমারের (Akshay Kumar) এখন কিছুটা এমনি অবস্থা। একেই বক্স অফিসে ব‍্যবসার মুখ দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহুদিন। একের পর এক ছবিতে অভিনয় করলেও একটাও হিট হওয়া দূরে থাকুক, লাভের অঙ্কও তুলতে পারেনি। তার উপর আবার সমালোচনা শুরু হয়েছে অক্ষয়ের কানাডিয়ান পাসপোর্ট নিয়ে। সব মিলিয়ে সবদিক থেকে বেশ চাপেই আছেন তিনি।

একথা কারোরই অজানা নয় যে অক্ষয়ের কাছে ভারতীয় নয়, বরং কানাডিয়ান পাসপোর্ট রয়েছে। এর জন‍্য কম খোঁচা সইতে হয়নি তাঁকে। এমনকি এখনো পর্যন্ত ‘কানাডা কুমার’ বলে ট্রোলড হন তিনি। তবে এবার নিজের ভারতীয় পাসপোর্টের ব‍্যাপারে বড়সড় তথ‍্য শেয়ার করলেন আক্কি।


আসলে ২০১৯ সালে এক সংবাদ মাধ‍্যমের অনুষ্ঠানে অক্ষয় জানিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই ভারতীয় পাসপোর্টের জন‍্য আবেদন করবেন তিনি। অবশেষে তিন বছর পর অক্ষয় জানালেন, তিনি কথা রেখেছেন। ভারতীয় পাসপোর্টের জন‍্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু করোনার জন‍্য প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়।

তবে অক্ষয় এদিন জোর গলায় বলেন, ‘কানাডিয়ান পাসপোর্ট থাকা মানে তা আমাকে কোনো ভাবেই কম ভারতীয় করে না। আমি ভারতীয়। গত নয় বছর ধরে আমি এখানে রয়েছি যখন আমি পাসপোর্ট পাই। আর কেন কী হয়েছিল, আমার ছবি চলছিল না, অত আলোচনায় আর যেতে চাই না।’ অক্ষয় বলেন, তিনি ভারতীয় পাসপোর্টের জন‍্য আবেদন করেছিলেন ঠিকই। কিন্তু করোনার জন‍্য সব বন্ধ হয়ে যায়। তিনি তো আর করোনা আনেননি, অভিমানের সুরে বলেন অক্ষয়।

এদিন ট্রোলারদের উত্তর দেওয়ার মুডেই ছিলেন অক্ষয়। বছরে চার পাঁচটা সিনেমা করা নিয়ে যারা তাঁকে খোঁচা দেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি বছরে চারটে সিনেমা করি। আমি বিজ্ঞাপনও করি। আমি কাজ করি, কারোর থেকে চুরি করি না। আমি বুঝি না। লোকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে, এত ভোরে ওঠো কেন? সকালটা তো ঘুম থেকে ওঠার জন‍্যই। আমি ভুলটা কী করছি বুঝি না। আমি কাজ করে যাব। যদি ৫০ দিন লাগে তো দেব যদি ৯০ দিন লাগে তাও দেব।’

Related Articles