টাইমলাইনফুটবলখেলাঅন্যান্য খেলাধুলা

ফুটবলের পর এবার সংকটে ভারতের এই তিন ক্রীড়া সংস্থা, যে কোনও সময় মিলতে পারে নির্বাসনের শাস্তি

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নির্বাচিত করেছে ফিফা। ফিফার গাইডলাইন না মেনে চলায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। তবে ফুটবলের পর এবার ভারতের আরো তিনটি ক্রীড়া সংস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে আসছে। এআইএফএফ-এর মতোই তাদের সমস্যাও সেই একটি কারণের জন্যই।

এইমুহূর্তে যে সংস্থাগুলির উপর আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে তারা হলো ভারতীয় হকি ফেডারেশন, ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থা এবং টেবিল টেনিস সংস্থা। তিনজনের ক্ষেত্রেই সমস্যাটা ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনে সমস্যার মতই। ফিফা ভারতীয় ফুটবলের ওপর কোপ ফেলেছিল কারণ প্রশাসকদের দিয়ে তৈরি একটি বিশেষ কমিটি যেটি “COA” (কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস) নামে পরিচিত সেটি ভারতীয় ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল। এই তিন সংস্থার ক্ষেত্রেও সমস্যাটা একই।

বিসিসিআইয়ের অন্দরেও এই একই সমস্যা রয়েছে বলে অনেকে অভিযোগ করে থাকেন। শুধুমাত্র বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের ভয়ঙ্কর প্রভাব এর জন্য আইসিসি তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয় না বলে অনেকে মনে করেন। বাকি খেলাগুলো সংস্থাগুলি নিয়ম সমস্যাটা একই। দীর্ঘদিন ধরে কেউ না কেউ সেই সংস্থাগুলির ক্ষমতা দখল করে বসে রয়েছেন।

আপাতত সবচেয়ে বড় সংকটের মধ্যে রয়েছে হকি ইন্ডিয়া। দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি ওই সংস্থায় এবং দীর্ঘদিন ক্ষমতায় বসে থাকা হকি ইন্ডিয়ার সভাপতির নরেন্দ্র বাত্রা সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু তার পরিচয় নির্বাচন হয়েছে এমন নয়। স্থানীয় ফের সর্বেসর্বা হয়ে বসেছে সিওএ। সামনের বছর ভারতের মাটিতে হকি বিশ্বকাপ আয়োজন হওয়ার কথা রয়েছে রৌরকেল্লাতে। কিন্তু আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন যদি এই কারণে ভারতকে নির্বাসিত করে তাহলে বিশ্বকাপ আয়োজনের পাশাপাশি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও আটকে যাবে সৃজেশদের। টেবিল টেনিসেরও একই পরিস্থিতি ভারতে। ইতিমধ্যেই হাই কোর্টও তারকা প্যাডলার মনিকা বাত্রার অভিযোগের ভিত্তিতে টেবিল টেনিস ফেডারেশনের বিরুদ্ধে স্বার্থান্বেষী সিদ্ধান্তের জন্য এখন ওই সংস্থার দায়িত্বে সিওএ নিয়োগ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে দিল্লি হাইকোর্ট, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছিল যে জিমনাস্টিক, হ্যান্ডবল, যোগাসন, টেবিল টেনিস, ভলিবল, টেনিস, গলফসহ বিভিন্ন খেলার জন্য একটি জাতীয় ক্রীড়া নীতি তৈরি করতে। তো সেই কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেনি। ফলে আশঙ্কায় হাজার হাজার ক্রীড়াবিদের ভবিষ্যৎ।

Related Articles