টাইমলাইনভারত

অসমে দিমাসা ন্যাশানাল লিবারেশন আর্মির ছয় জঙ্গিকে নিকেশ করল ভারতীয় সেনা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আসাম পুলিশ এবং আসাম রাইফেলসের যৌথ উদ্যোগে দিমাসা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি নামক জঙ্গী সংগঠনের প্রায় ৬ জন কর্মী নিহত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দু’বছর আগে নিয়াসোদাও দিমাসার নেতৃত্বে এই জঙ্গি সংগঠনটি। যার সভাপতি হন, খারমিনদাও দিমাসা। ২০১৯ সালে একটি প্রেস বিবৃতিতে সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয় ডিমাসা গোষ্ঠীর আদিবাসীদের জন্য স্বাধীন একটি রাষ্ট্র তৈরি করার উদ্দেশ্যে তাদের এই লড়াই। সেই সূত্র ধরেই হাতে বন্দুক তুলে নেয় তারা। এরপর থেকেই নানা ধরনের বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত এই সংগঠন।

আসাম পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন আসাম নাগাল্যান্ড সীমান্তে কার্বি আংলং এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। কার্বি আংলংয়ের কিছু বিশেষ দল এবং ডিমা হাসাও জেলার পুলিশের তৎপরতায় এদিন জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে তাদের ছজন সেনাকে নিকেশ করে তারা। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চারটি একে-৪৭ বন্দুক এবং বেশ কিছু গুলি ও বোমা। ডিএনএলএ গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের খুঁজে বের করার জন্য এলাকায় এখনও তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। এ বিষয়ে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে আসাম রাইফেলসও।

আসাম পুলিশের স্পেশাল ডিরেক্টর জেনারেল জিপি সিং এ দিন টুইট করে জানান, “ভোররাতে আসাম পুলিশ এবং আসাম রাইফেলসের যৌথ অভিযানে আসাম নাগাল্যান্ড সীমান্তের কার্বি আংলং জেলায় ধানসিড়ি অঞ্চলে প্রায় ছয় জন ডি এন এল এ জঙ্গী সংগঠনের সক্রিয় কর্মী মারা গিয়েছেন। প্রচুর পরিমাণে গুলি-বোমা এবং আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে তাদের কাছ থেকে।”

অসাম পুলিশেরই এক কর্মকর্তা জানান, এই পুরো ঘটনায় নেতৃত্ব দেন পুলিশ সুপার প্রকাশ সোনওয়াল। ধানসিড়ির মিশিগাইলাং এলাকায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গী বাহিনীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর ছজন জঙ্গী নিহত হন। তিনি আরো জানান রবিবারের এই ঘটনাকে মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছে না আসাম পুলিশ। আগামী দিনেও করা অনুসন্ধান চালানো হবে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকাগুলিতে।

Related Articles

Back to top button