টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

কল্যাণ-কুণালের সমর্থণে বিজেপিকে বিঁধে ট্যুইট বাবুলের, পাল্টা প্রশ্নে সুর নরম গায়কের

বাংলাহান্ট ডেস্ক: তৃণমূলের অস্বস্তি যেন গিয়েও যাচ্ছে না। গত কয়েকদিন ধরেই তুঙ্গে কুণাল-কল্যাণ, পার্থ-মদন তরজা। আজ যদিও বা ‘চ্যাপ্টার ক্লোস’ করলেন মদন, অন্যদিকে কল্যাণ-কুণালের সমর্থনে ট্যুইটারে যুদ্ধ হাঁকলেন বাবুল সুপ্রিয়।

কখনও অন্তঃকলহ কখনও আবার বিতর্ক, একের পর এক ইস্যুতে তোলপাড় রাজ্যের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল। একদিকে তৃণমুলে কুণাল-কল্যাণ সংঘর্ষ অন্যদিকে দলের সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীর অপসারণ চেয়ে বিজেপির একাংশের পোস্টারিং। সবমিলিয়ে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। এবার সেই বিতর্কেই নতুন করে ইন্ধণ জোগালেন বিজেপি ত্যাগী তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয়।

এদিন অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পোস্টারিং সংক্রান্ত একটি খবরের স্ক্রিনশট নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন বাবুল। এই ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন ‘এ সব নোংরামিতে / খেয়োখেয়িতে থাকতেই চাই না, থাকতামও না তাই ‘ছোট্ট মনের অর্বাচীন নেতৃত্ব’ সম্পর্কে আগাম সাবধান করে দলটাই ছেড়ে দিয়েছি।’ এরপরই এই পোস্টের কমেন্টে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করে বসেন নেটিজেনদের একাংশ। এক ব্যক্তি এই পোস্টের কমেন্টে লেখেন, ‘ কল্যাণবাবুর কী অবস্থা এখন? ওঁর অভিযোগের পরে পোস্টার জ্বালানো হচ্ছে দেখলাম। অবশ্য ওগুলো নোংরামি না’

এই কমেন্টের উত্তরে কল্যাণ-কুণালের সমর্থনে রীতিমতো কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন বাবুল সুপ্রিয়। একটু সুর নরম করে ওই কমেন্টের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘একজন দু’জন কে নিয়ে সাময়িক বিতৰ্ক তো সব দলেই হয়, হতেই পারে। কিন্তু সমগ্র দলটার এরকম হোলসাম অবক্ষয় কোন রাজনৈতিক দলে শেষ দেখেছেন মনে করে দেখুন’। আসানসোলের পুরভোটে ‘মমতা দিদিই’ জিতবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মাত্র কয়েকমাস আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। এরই মধ্যে আসানসোলে তাঁর মমতা বিরোধী গানকে হাতিয়ার করে পুরভোটের প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। এরপর ট্যুইটারে এহেন বাকযুদ্ধে জড়িয়ে সামগ্রিক বিতর্কে আরও কিছুটা ঘি ঢাললেন বাবুল তা বলাই বাহুল্য।

Related Articles

Back to top button