টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গভারতরাজনীতি

মন্দির-মসজিদ নিয়ে টুইটারে বিশেষ বার্তা বাবুল সুপ্রিয়র, হলেন নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি মন্দির ও মসজিদ বিতর্ক নিয়ে সরগরম হয়ে রয়েছে দেশের রাজনীতি। একের পর এক মসজিদ বর্তমানে শিরোনামে উঠে আসছে, যার নিচে অতীতে মন্দিরের অংশ ছিল বলে দাবি করে চলেছে কয়েকটি হিন্দু সংগঠন। আর এই নিয়ে যখন বিতর্ক দানা বাধতে শুরু করেছে, তখন এদিন একটি টুইট করে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন ধরেই দেশের বুকে একের পর এক মসজিদ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। জ্ঞানবাপী মসজিদ থেকে শুরু করে জামিয়া মসজিদ নিয়ে মামলা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। সম্প্রতি, জ্ঞানবাপী মসজিদের ভিতর যেমন শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে অন্যান্য মসজিদেও যে অতীতে হিন্দু দেব-দেবীর অংশ ছিল, সে বিষয়ে দাবি করে চলেছে হিন্দু সংগঠনগুলি।

এই বিতর্ক মাঝেই এদিন টুইট করে তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয় বলেন, “মন্দিরের ভিতরে মসজিদ কিংবা মসজিদের ভিতরে মন্দির নিয়ে বিতর্ক চলছে। এর সাথে স্পষ্টতই অনেক আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এর ফলে কি হচ্ছে? আদালতে একের পর এক মামলা হয়ে চলেছে।” এরপর তিনি প্রশ্ন করেন, “আমরা কি ইতিহাসের ভুলগুলোকে শোধরানোর নাম করে ইতিহাসকে উল্টে দিতে পারি? এর ফলে কিন্তু আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।”

সম্প্রতি বিজেপি দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন বাবুল সুপ্রিয়। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকলেও কিছু মাস পূর্বে দলবদলে শামিল হন তিনি। এরপর বালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে বিধায়ক পদে জয়লাভও করেন বাবুল। সেই সময় থেকেই কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক সমালোচনা করতে দেখা যায় তাঁকে আর এইবার মন্দির ও মসজিদ বিতর্ক নিয়ে তাঁর মন্তব্য নতুন বিতর্কর সৃষ্টি করবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

তবে বাবুলের এই টুইটের পর অনেক নেট ব্যবহারকারীরাই তাঁকে খোঁচা মেরে কমেন্ট করেন। এক ব্যক্তি যেমন লেখেন, “আপনার বিষয় নয়, ওইটা কোর্টের বিষয়, কিছু বলার থাকলে কোর্টে যান। আপনার সরকারকে DA দেওয়ার জন্য নোটিফিকেশন জারি করতে বলুন।”

অপর এক ব্যক্তি বলেন, “এসব ব্যক্তিদের একটাই আইডোলজি, ‘টাকা’। সে যা আগে বলেছে বা এখন বলছে বা ভবিষ্যতে বলবে, সে সবকিছু তার মনের কথা হিসেবে নেওয়ার কিছু নেই, সবই রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য বলা।”

Related Articles

Back to top button