টাইমলাইনফুটবলখেলা

ভক্তদের হতাশার মধ্যেও FIFA-র ব্যান নিয়ে আশার বাণী শোনাচ্ছেন বাইচুং ভুটিয়া

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: এইমুহূর্তে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন ভারতীয় ফুটবল সমর্থকরা। দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। যার জন্য শেষ পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। আর যেহেতু ফিফা কোন দেশের ফুটবল গভর্নিং বডির আভ্যন্তরীন ব্যাপারে কোনো তৃতীয় পক্ষের নেওয়ার সিদ্ধান্ত কে মান্যতা দেয় না তাই ভারতীয় ফুটবল আপাতত নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছে।

কাল সুপ্রিম কোর্টে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনের ভবিষ্যৎ কি হতে চলেছে সেই মামলার শুনানি হবে। সলিসেটর জেনারেলের পদে থাকা তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চের কাছে এআইএফএফ বিষয়ক মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। এই মুহূর্তে সবকিছু স্বাভাবিক করতে সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন সেটা হলো নির্বাচন শেষ হওয়া। এআইএফএফ নিজেদের ডেইলি অ্যাফেয়ার্সের সিদ্ধান্তগুলি পুরোপুরি নিজে নিজে নেওয়ার ক্ষমতায় আসলেই ফের ভারতীয় ফুটবলকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে দেবে ফিফা। আর সেটা সম্ভব হতে গেলে প্রয়োজন নির্বাচনের মাধ্যমে স্বচ্ছ গভর্নিং বডি তৈরি হওয়া। তাই আপাতত নির্বাচনের আশাতে দিন গুনছেন সমর্থকরা। প্রক্রিয়া যত তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হবে ততই লাভ ভারতীয় ফুটবলের।

 

ভারতীয় ফুটবলের এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীরা যখন খুবই চিন্তিত তখন অন্ধকারের মধ্যেও আলো দেখছেন প্রাক্তন তারকা ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়া। তিনি বলেছেন “ভারতীয় ফুটবল কে এই যে সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ফিফা কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সন্দেহ নেই। কিন্তু এর একটা ভাল দিকও রয়েছে যদি আমরা দেখতে চাই। ফুটবল প্রশাসনকে আবার সঠিক পথে ফেরানোর সুযোগ পেয়ে গিয়েছি আমরা। তার জন্য রাজ্যের ফুটবল সংস্থাগুলিকে একসাথে মিলে কাজ করতে হবে।”

আর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রাক্তন ফুটবলার সাবীর আলী ও মেহতাব হোসেনও। সাবির বলেছেন, “এটি ভারতীয় ফুটবলের জন্য একটা খুব খারাপ সময়। আমি আশা করবো যে এই নির্বাসন তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে ভারত অনূর্ধ্ব ১৭ মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে।” মেহতাব হোসেন বলেছেন “এই ঘটনার দায় পুরোপুরি ফুটবল প্রশাসকদের যখন ফিফা নির্বাচন করার নির্দেশ দিয়েছিল তখন তা পালন করা হয়নি কেন! এর ফলে শেষ পর্যন্ত ফুটবলারদের ফল ভুগতে হচ্ছে।”

Related Articles