টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গবিনোদন

রুপোর থালা, গ্লাস! পঞ্চব্যঞ্জনে থালা ভরিয়ে জামাই শোভনকে খাইয়ে দিলেন বৈশাখী

বাংলাহান্ট ডেস্ক : আবারও চর্চায় শোভন-বৈশাখী জুটি। গতকাল ষাড়ম্বরে পালিত হলো বাঙালির জামাই ষষ্ঠী। স্নেহের জামাইকে নিজে হাতে পঞ্চব্যঞ্জন রেঁধে খাওয়ানোর সুযোগ ছাড়েন না শাশুড়ি মায়েরা। কিন্তু নিজের মা অসুস্থ থাকায় নিজেই গোলপার্কের বাড়িতে জামাইষষ্ঠী পালন করলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজের হাতে করিয়ে দিলেন মিষ্টিমুখ, করলেন আশীর্বাদও।

রবিবার সামাজিক মাধ্যমে জামাই ষষ্ঠী পালনের ছবি পোস্ট করে বৈশাখী লিখেছেন, ‘জামাই ষষ্ঠী মানেই মা ষষ্ঠীর পুজো। মায়ের আদেশ মেনে শোভনের জন্য সমস্ত আয়োজন করেছি। মায়ের কাছে শোভন ছেলের থেকেও বেশী। আমার মা খুবই অসুস্থ। তবু তাঁর নির্দেশেই এই সব ব্যবস্থ। এমনকি সমস্ত কিছু দেখভাল করেছি নিজেই।’

একেবারে থালা ভরে পঞ্চব্যাঞ্জনে শোভনকে খাইয়েছেন বৈশাখী। ছিল এক থালা মিষ্টিও। রুপোর থালায় মিষ্টি সাজিয়ে দেন বৈশাখী। রুপোর গ্লাসেই জল। সেই সঙ্গে রুপোর চামচে ‘জামাই’ শোভনকে নিজের খাইয়েও দেন বৈশাখী।

জামাইআদরে খাওয়ানোর পাশাপাশি বৈশাখী উপহারও দিয়েছেন শোভনকে। তবে কী উপহার সেটা জানাননি তিনি। ছবিতে অবশ্য গয়নার বাক্সই দেখা গিয়েছে। একই সঙ্গে দেখা গিয়েছে, শোভনের মাথায় বৈশাখীর ‘স্নেহ’ ভরা স্পর্শ। মিষ্টির পরে মূল ভোজ। নিজে হাতেই পরিবেশন করেন বৈশাখী। একাধিক বাটিতে সাজিয়ে দেন নানা রকমারি পদ। তাতে মাছ, মাংসের পাশাপাশি ছিল নিরামিষ তরকারিও। একা বৈশাখী নন, তাঁর কন্যা মহুলও খাইয়ে দেন শোভনকে।

বাংলায় এই দুই রোমান্টিক জুটি বরাবরই চর্চায় থাকেন। গত বছরেই দশমীর দিনে ঘটা করে মা দূর্গার সামনেই বৈশাখীকে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। পরে তিনি বলেন, সেই সিঁদুর খেলা মোটেই ছেলেখেলা ছিল না। পরে তিনি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি শোভন চট্টোপাধ্যায় ৷ পরিষ্কার করে বলছি, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের দুই নয়, বর্তমানে তিন সন্তান ৷ সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়, সুহানি চট্টোপাধ্যায় এবং রীণা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ রীণাকে আমি ও বৈশাখী দুজনে মিলেই বড় করে তুলছি ৷ আমি চাই আমার তিন সন্তানই জীবনে সফলতা পাক ৷’ তবে এই সিঁদুরদান বিবাহের স্বীকৃতি কি না তা নিয়ে এখনও ওঁরা স্পষ্ট করে জানাননি কিছুই। তবে বৈশাখী রবিবার জানালেন শোভন হলেন তাঁর মায়ের জামাই।

Related Articles

Back to top button