fbpx
ক্রিকেটখেলাটাইমলাইন

পাকিস্তানে খেলতে গিয়ে ভীত সন্ত্রস্ত বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান! ছবি পোস্ট করে দোয়া করতে বললেন।

পাকিস্তানে গিয়ে সিরিজ খেলতে কোন বাংলাদেশী ক্রিকেটার রাজি হচ্ছিলেন না, সেই সাথে রাজি হচ্ছিল না বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বিদেশি সাপোর্ট স্টাফরা। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে সিরিজ খেলার জন্য বারেবারে চাপ দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপর। সেই কারণে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানে গিয়ে সিরিজ খেলতে রাজি হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

ইতিমধ্যে সিরিজ খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তানে পৌঁছে গিয়েছে, কিন্তু পাকিস্তানের পৌঁছালেও চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের। সকলের মনে একটাই চিন্তা ফের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না তো 2009 সালের? প্রায় দশ বছর হয়ে গেল পাকিস্তানে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ হয়নি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে প্রত্যেকটি ক্রিকেট খেলুয়ে দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে নিরাপত্তার বিষয়টি পুরোপুরি সুনিশ্চিত করা হলেও কোন দেশের ক্রিকেটাররা পাকিস্তানে গিয়ে ক্রিকেট খেলতে রাজি নন। সকলের মনে একটাই ভয় জঙ্গি হামলা।

10 বছর আগে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল পাকিস্তানে সিরিজ খেলতে গিয়েছিল সেই সময় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের ওপর জঙ্গি হামলা হয়েছিল। তাই তারপর থেকে জঙ্গি হামলার ভয়ে কোন দেশ পাকিস্তানে গিয়ে ক্রিকেট খেলেনি, যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে দাবি করা হয়েছে এখন আর পাকিস্তানে আগের মতো পরিস্থিতি নেই। এখন ক্রিকেট খেলার জন্য আদর্শ পরিস্থিতি রয়েছে পাকিস্তানে। অনেক অনুরোধ করার পর কিছুদিন আগে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল পাকিস্তানে গিয়ে সিরিজ খেলে এসেছে। এবার বাংলাদেশ দল পাকিস্তানে গিয়েছে সিরিজ খেলতে। কিন্তু পাকিস্তানে গিয়ে খুবই ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান তার প্রমাণ পাওয়া গেল মুস্তাফিজুর রহমানের একটি ছবি পোস্ট করা থেকে, এই ছবিটি পোস্ট করে মোস্তাফিজুর রহমান লিখেছেন আমাদের জন্য দোয়া করবেন আমরা যাতে ভালোভাবে দেশে ফিরে যেতে পারি।

বাংলাদেশী ক্রিকেটারের এই পোস্ট দেখার পর থেকে অনেকেই পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার সময় সবার আগে নাম তুলে নিয়েছিল মোস্তাফিজুর রহমান কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চাপে শেষ পর্যন্ত তিনি রাজী হন।

Back to top button
Close
Close