ফুটবলখেলা

দেনার দায়ে ডুবতে বসেছে বার্সেলোনা-জুভেন্তাস, চাঞ্চল্যকরভাবে কারণ হিসেবে উঠে এল মেসি-রোনাল্ডোর নাম

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের প্রানকেন্দ্র বলা চলে ইউরোপকে।সম্প্রতি বিশ্ব ফুটবলের প্রানকেন্দ্রকে টলিয়ে দিয়েছে ইউরোপিয়ান সুপার লিগ নামক এক ঝড়।প্রভূত দেনার দায়ে ডুবে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, জুভেন্তাসসহ ১২টি ইউরোপের প্রথমসারির ক্লাবগুলো। এই দেনার হাত থেকে উদ্ধার পেতে এই প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ।তবে উয়েফা ও ফিফার রণংদেহি মূর্তি দেখে আপাতত পিছু হঠেছে এই ক্লাবগুলো।এরপর শুরু হয়েছে কাটাছেঁড়া। ক্লাবগুলোর দেনায় ডুবে থাকার কারণ হিসেবে উঠে বিভিন্ন কারণ। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লিওনেল মেসি-ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মতো তারকার বিপুল বেতন।

বার্সেলোনায় এই মুহূর্তে মেসির পারিশ্রমিক ২৮.৫ মিলিয়ন পাউন্ড। বোনাস তারও চারগুণ। শুধু মেসির পিছনেই ক্লাবের খরচ হয়ে চলেছে ১.১ বিলিয়ন পাউন্ড। রোনাল্ডোর ক্ষেত্রেও হিসেবটা একই রকম। ২৮ মিলিয়ন পাউন্ডের ওপরে বাড়তি বোনাস। যা জুভেন্তাসের স্কোয়াডে সর্বোচ্চ বেতনভোগী পরবর্তী চার খেলোয়াড়ের পারিশ্রমিকের সমান। এই বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ একদিকে যেমন ঋণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ক্লাবগুলিকে, তেমনই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে নতুন তারকাদের জায়গা করে দেওয়ার পথ। যে কারণে গত বছর থেকে একের পর এক ম্যাচে মাঝমাঠ ধসে যাওয়ার পরও বিকল্পের সন্ধান খুঁজতে ব্যর্থ বার্সেলোনা।জুভেন্তাসের পক্ষেও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে স্কোয়াডে নতুন ফুটবলার সংযোজন করা।

পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে, বছর কয়েক আগের সেই ফর্ম কি রয়েছে মেসি-রোনাল্ডোর? ম্যাচের ফলাফল কিংবা দর্শকদের উত্তেজনা যাই বলুক না কেন, পরিসংখ্যান উল্টো কথা বলছে। বছর দুয়েক আগেও দুই তারকার প্রতি ম্যাচে ট্যাকল ও ইন্টারসেপশনের সংখ্যা ছিল ২-এর বেশি। বর্তমানে রোনাল্ডো ও মেসির ক্ষেত্রে তা নেমে এসেছে যথাক্রমে ০.৪ ও ০.৭-এ। বয়স বাড়ার জন্যই কি তবে ধীরে ধীরে ঝিমিয়ে পড়ছেন এই দুই তারকা? আবেগ সরিয়ে রেখে বললে, কারণটা তাই।

তবে দল থেকে প্রধান দুই তারকাকে সরিয়ে রাখাও বেশ চ্যালেঞ্জিং দুই ফুটবল ক্লাবের কাছে। বিশেষত বার্সেলোনার পক্ষে কার্যত অসম্ভব ২১ বছরের সম্পর্কে ইতি টানা। শুধু ক্লাবের সেরা খেলোয়াড়ই না এলএম টেন, তিনি হয়ে উঠেছেন বার্সা-পরিবারের সদস্য। অন্যদিকে রোনাল্ডোই এখন জুভেন্তাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কাজেই ধর্ম-সংকটে দুই ক্লাবই।

 

Related Articles

Back to top button