টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গ

এতো আলোর মাঝে তবু অন্ধকার,দিশা দেখালো BJMTU

বাপ্পাই দত্ত :- “স্বাস্থ্য সাথে শিক্ষা হল প্রধান সম্পদ’ প্রমাণ দিল ভারতীয় মজদুর ট্রেড ইউনিয়ন. সভ্যতা তৈরি করে মানুষ , আর সভ্যতাকে লালন পালন করা হল আমাদের লক্ষ্য, কিন্তু কে মানে !

বর্তমান দিনে রেল স্টেশনে কিংবা বড় মার্কেটে ওয়াইফাই ব্যবস্থা থাকে বিনা মূল্যে কিন্তু এই সব চত্বরে ঘুরে বেড়ায় বেশ কিছু অনাহার প্রাণী, তাদের কাছে থাকে না হ্যান্ডসেট শুধু এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায় এক টুকরো খাবারের আশায়, যদি কোনও সহৃদয় ব্যক্তি এক টুকরো খাবার ছুরে যায় সে দিন হয় তাদের কাছে মূল সম্পদ , তেমনি শিক্ষা ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়

যে গরিব ভালো মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা অর্জনের জন্য ঘুরে বেড়ায় বিভিন্ন কলেজের দোরগোড়ায় শুধুমাত্র ভর্তির জন্য, শিক্ষাগত মান উপরে থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে আসতে হয় অর্থের অভাবে, হতে হয় তাদের কোণঠাসা, মাথায় তাদের চিন্তা থাকে যদি তুমি ভর্তি না হতে তুমি আগামী দিনের কাছে বেকার হয়ে উঠবে, এই খুদা যেন মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে জিজ্ঞাসা চিহ্ন হয়ে দাড়ায় যত দিন সে গড়ে উঠতে না পারে , তেমনি একটা ঘটনা লক্ষ্য করা গেল ভারতীয় জনতা পার্টির মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি বাবান ঘোষের তত্ত্ববধানে এবং নথ কলকাতার BJMTU সভাপতি রাজেশ মাহাতো ও অর্জুন সিংহ ও দেবব্রত নিঃস্বার্থভাবে লক্ষ্য করা গেল যে

জোড়াবাগান থানার অন্তর্গত মদন মোহন লেন বাড়ি এক ছাত্রী সুচেতনা মুখার্জি আইন বিভাগ নিয়ে সুরেশ্বর কলেজে পড়াশোনা করে কিন্তু তার বাবার শেষ ছয় মাসে চাকরি চলে যাওয়ার কুড়ি হাজার টাকার মধ্যে দশ হাজার টাকা সেই জোগাড় করতে পারছিল না এবং সে দিক শূন্য হয়ে পড়ে অবশেষে অন্ধকার সভ্যতার মধ্যে

যে বিদ্যুতের শিখা দেখা যায় সেই প্রতি ছবি চলে আসে সেই তার হাতের মুঠোয় BJMTU তরফ থেকে এবং সে আশ্বাস পায় যে সুচেতনা মতো সকল অসহায় মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভারতীয় মজদুর ট্রেড ইউনিয়ন সর্ব সময় সঙ্গে থাকবে.

Back to top button