টাইমলাইনভারতরাজনীতি

সি এ এ বিরোধী বিক্ষোভ – বিক্ষোভকারীদের স্বার্থে রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কার আবেদন NHRC র কাছে

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পূর্ব অধ্যক্ষ্য রাহুল গান্ধী এবং দলের বর্তমান মহাসচিব প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বাত্রা, উত্তর প্রদেশে চলতে থাকা সি এ এ বিরোধী প্রচারকারীদের উপর পুলিশের বর্বর আচরনের প্রতিবাদ করার জন্য সোমবার রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার আয়োগের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিনিধিমন্ডলের নেতা সোমবার সকালে NHRC  কার্যালয়ে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের উপর উত্তর প্রদেশ পুলিশের বর্বর আচরনের প্রতিবাদ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এই প্রতিনিধিমন্ডলের মধ্যে রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা ছিলেন মুখ্য ভুমিকায়। তারা আয়োগের প্রধান পদাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সামনে পুলিশের আচরনের তদন্ত এবং পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। এনারা ছাড়াও এই প্রতিনিধিমন্ডলে ছিলেন কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতা অভিশেক মনু সিংভি, মহসিনা কিদওয়াই, সলমন খুরসিদ, জিতিন প্রসাদ, রাজিভ শুল্কা, এবং উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসের অধ্যক্ষ অজয় কুমার লাল্লু।

সংসদের দুটি সদনেই সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট বা সি এ এ নিয়ে কংগ্রেস বিরধিতায় সোচ্চার রয়েছে। রাহুল কিছুদিন আগেই আসামের একটি র‍্যালিতে মোদী সরকারের উপর মানুষের বক্তব্য না আমল দেয়ার অভিযোগ এনে বলেন যে, বি জে পি যেখানেই যাচ্ছে সেখানেই নোংরা রাজনীতির ছাপ ফেলছে। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস গতকাল প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ভারতের সংবিধানের একটি অংশ পাঠিয়ে বলেছে যে সি এ এ সংবিধানের এই ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদটির সরাসরি উলঙ্ঘন করছে।

বি জে পি সেটিরই পাল্টা হিসাবে কংগ্রেসের উপর সি এ এ কে অস্ত্র করে লোকের মনে ভুল বার্তা প্রেরন করার অভিযোগ এনেছে। সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন যে দিল্লির শাহীন বাগে হওয়া আন্দোলনটি সি এ এ বিরোধী নয়, বরং এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধী। তিনি আরও জানান যে শাহীন বাগ এখন আর একটি সাধারণ জায়গা নই , এই জায়গাটিতে এখন ভারতীয় পতাকার আড়ালে দেশভাগ করতে চাওয়া লোকেদের কভার দেওয়া হয়।

Related Articles