আন্তর্জাতিকটাইমলাইন

চীনের হুমকির উপর কানাডা দিল কড়া উত্তর, কোনঠাসা জিনপিং সরকার

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ হংকংয়ে (Hong Kong) জারি করা রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা আইন কে কেন্দ্র করে কানাডা (Canada) এবং চীনের (China) মধ্যে বিরোধ তুঙ্গে। হংকংয়ে এই আইন জারি হওয়ার পর থেকে সেখানকার মানুষজন পালিয়ে কানাডায় চলে আসছে। কিন্তু এই বিষয়ে ঘোর আপত্তি জানিয়েছে চীন সরকার।

চীন কানাডা বিরোধ
কানাডায় চীনের রাজদূত কোম্পিও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে (Justin Trudeau) এই বিষয়ে রীতিমতো হুশিয়ারী জারি করেছেন। তাঁর কথায়, হংকং থেকে পালিয়ে কানাডায় আসা মানুষজনকে সেখানে আশ্রয় দেওয়া যাবে না। কিন্তু তাও যদি কানাডার সরকার তাদের সেখানে থাকতে দেয়, তাহলে এই বিষয়টা চীনের অভ‍্যন্তরীণ মামলায় কানাডার দখলদারি হিসাবে গণ্য করা হবে।

চীনের হুশিয়ারীর যোগ্য জবাব দিল কানাডা
চীনের এই হুশিয়ারীতে বিন্দুমাত্র ভয় না পেয়ে পাল্টা হুমকি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। চীনকে জোর ঝটকা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাদের দেশ চীনবাসীদের মানবাধিকার খন্ডনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা সর্বদা চীনবাসীর মানবাধিকার রক্ষার বিষয়ে লড়াই চালিয়ে যাব। উইঘুর মুসলিমের অধিকার হনন কিংবা হংকংয়ের কোন সমস্যা, আর চীনের কূটনৈতিক চালের বিরুদ্ধাচরণ হোক সবেতেই আমরা ঝাপিয়ে পড়ব’।

জাস্টিন ট্রুডো আরও জানিয়েছেন, ‘আমাদের দেশ সর্বদা ব্রিটেন, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে মানবাধিকারের পক্ষে লড়াই জারি রাখবে। মানবাধিকার খন্ডনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে’। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর এই কথায় স্পষ্ট হয়ে যায়, চীনের ঋণ জালে জড়িত ব‍্যতিত কোন দেশ চীনকে বিন্দুমাত্র ভয় পায় না। চীনের আঘাতের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিঘাত দিতে সকলেই প্রস্তুত।

উল্টো হুমকি দিল চীন
কানাডার এই পাল্টা জবাবে কর্ণপাত না করে নির্লজ্জের মত আবারও হুশিয়ারী দিয়েছে চীন। চীনের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের প্রবক্তা ঝাও লি জিয়ান জানিয়েছেন, ‘কানাডার এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে যোগ্য জবাব দেবে চীন। আমাদের উপর কোন প্রকার দোষারোপ সফল হতে দেব না। এর ফল ভোগান্তির জন্য কানাডা সম্পূর্ণ দায়ী থাকবে’।

Back to top button