টাইমলাইনআন্তর্জাতিক

শ্রীকৃষ্ণ প্রেমে মজেছেন চীনবাসীরা, জিনপিং-র দেশে জয়জয়াকার হিন্দুধর্মের

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ ”যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত। অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্॥”- শ্রীকৃষ্ণের (shri krishna) অমোঘ বাণীতেই মজেছে চীনবাসীরা (china)। ‘হরে কৃষ্ণ’ নাম গেয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত চীনের বেইজিং, সাংহাই, চেংদু, শেঞ্জেন, হারবিন এবং উহান প্রদেশেও জন্মাষ্টমী পালন করেন কৃষ্ণভক্তরা।

তথাকথিত কমিউনিস্ট পার্টির দেশ চীনে এখনও কৃষ্ণ প্রেমে মজে রয়েছেন প্রচুর নাগরিক। এখনই নিয়ম করে কৃষ্ণ নাম জপ করা থেকে শুরু করে, শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানও ধুমধাম করে পালন করেন তাঁরা। শ্রীকৃষ্ণের চরণেই ঠাঁই নিয়েছেন জিনপিং-র দেশের বহু নাগরিক।

এপ্রসঙ্গে এক ভক্ত বলেন, ‘জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার তিনটি মূর্তি স্থাপন করেছিঃ আমরা দোংগুয়ান মেলায়। তখন ৩০০০ প্যাকেট মিষ্টি বিতরণও করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সোসাইটি ফর কৃষ্ণ চেতনা (ইসকন) গ্রুপের কয়েকজন সদস্যও ছিলেন আমাদের সঙ্গে। ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি চীনাদের পছন্দ হওয়ায়, তাঁরা কৃষ্ণ এবং তাঁর বাণীগুলি পছন্দ করেন’।

‘নাস্তিক চীন’ এটি এখন আর জিনপিং-র দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে দাবি করে তিনি জানান, ‘বহু ধর্ম পুনরুত্থিত হয়েছে এবং পরিবর্তিত হয়েছে গত তিন থেকে চার দশকে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির অফিশিয়াল গোঁড়ামি এবং স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘নাস্তিকতা’র কিছুটা প্রভাব থাকলেও, এখন আর চীনকে ‘নাস্তিক চীন’ বলা ঠিক নয়। তবে সংখ্যায় কম হলেও উন্মুক্ত এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক নীতি অনুসরণ করার মানুষও আছেন এখানে’।

তিনি আরও বলেন, ‘যোগ অনুশীলনকে উৎসাহ দিয়ে আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করেছিলাম। বহু দশক পর ধর্মের স্বাভাবিকতা চীনে আবারও ফিরে আসছে। একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসাবে আমি, চীনে আধ্যাত্মিক অনুসারী এবং ধর্মীয় বিশ্বাসীদের ক্রমাগত বৃদ্ধির কামনা করব’।

Related Articles

Back to top button