fbpx
টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গ

করোনা টেস্টিং ফেসিলিটি চালু হোক আসানসোলে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন বাবুল

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ কলকাতার উপর ভরসা করে থাকলে চলবে না। এবার আসানসোলে (Asansol) তৈরি করতে হবে করোনা চিহ্নিতকরণের জন্য ল্যাবরেটরি। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (babul supriẏo) তাঁর সংসদীয় ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরি করার জন্য চিঠি লিখলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে (Union Health Minister)। যেন আসানসোলের মানুষ আসানসোলেই পরীক্ষা করাতে পারে। পরীক্ষার জন্য তাঁকে যেন কলকাতায়(kolkata) না আসতে হয়।

বাবুল সুপ্রিয় বলেন, আসানসোলে কারও শরীরে সন্দেহজনক কোনও উপসর্গ দেখা দিলে তাঁকে সোয়াব পরীক্ষা করার জন্য আনতে হচ্ছে আড়াইশো কিলোমিটার দূরে কলকাতায়। তাই আসানসোলে দ্রুত করোনা ভাইরাস টেস্টিং ফেসিলিটি চালু করার দরকার। এই মর্মেই আমি চিঠি লিখেছি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে।

বাবুল বলেন, শনিবারই তাঁকে মৌখিকভাবে বলেছিলাম। এখন তাঁকে লিখিতভাবে আবেদন করলাম। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তাঁর কথায় রাজ্যের দ্বিতীয় জনবহুল শহর আসানসোল (Asansol)। তাই এখানেও করোনা ভাইরাস পরীক্ষার যাবতীয় ব্যবস্থা করা জরুরি।

তিনি বলেন, আসানসোলে স্কটল্যান্ড ফেরত চার বছরের শিশু ও তাঁর মা কোয়ারেন্টাইনে ( quarantine) ছিলেন। আর ম্যাঞ্চেস্টার ফেরত এক যুবক ভর্তি ছিলেন আইসোলেশন (Isolation) ওয়ার্ডে। তাঁদের সোয়াব বা লালারস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই রিপোর্ট আসতে সময় লেগে যায় পাঁচদিন। তারপর জানা যায়, তাঁদের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নেই। বাবুল সুপ্রিয় বলেন, অবস্থানগত কারণেই আসানসোলে এই টেস্টিং ল্যাবের বিশেষ প্রয়োজন। তাহলে উপকৃত হবেন আাসানসোল, দুর্গাপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলার রোগীরা। পাশাপাশি কলকাতার  ল্যাবরেটরিগুলোর উপর চাপ ও নির্ভরশীলতাও কমবে। তেমনই দ্রুত রোগ নির্ণয় করা গেলে করোনার সংক্রমণ অনেকটা আটকানো যাবে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সেখান থেকেই কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো যাবে বলে মনে করছেন বাবুল। আসানসোলে ল্যাবরেটরি হলে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। দুর্গাপুর, বাঁকুড়ার মানুষও এর ফলে সুবিধা পাবে। কলকাতার ল্যাবরেটররির উপরও চাপ কমবে। দ্রুত রোগ নির্ণয় করা গেলে করোনার সংক্রমণ অনেকটাই আটকানো যাবে। আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো যাবে।

 

Back to top button
Close
Close