টাইমলাইনবিনোদন

সায়ন্তর সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক নেই, বিচ্ছেদ নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন দেবচন্দ্রিমা

বাংলাহান্ট ডেস্ক: ভাঙাগড়ার খেলা অব‍্যাহত টেলিপাড়ায়। সদ‍্য এই তালিকায় নাম উঠে এসেছিল অভিনেত্রী দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায় (debchandrima roy) এবং অভিনেতা সায়ন্ত মোদকের (sayanta modak)। দুজনের মাখোমাখো প্রেমে বিচ্ছেদ ঘটেছে, এমনটাই শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পুরোটাই এতদিন গুঞ্জনের পর্যায়ে ছিল। কারণ এ বিষয়ে মুখ খোলেননি দেবচন্দ্রিমা বা সায়ন্ত কেউই। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ‍্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এই খবরছ শিলমোহর দিয়ে অভিনেত্রী জানান তিনি এখন সিঙ্গল। সায়ন্তর সঙ্গে আর কোনো সম্পর্কই নেই তাঁর। চার বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন দুজনে। একসঙ্গে একটি ইউটিউব চ‍্যানেল চালাতেন সায়ন্ত এবং দেবচন্দ্রিমা। সেখানে প্রকাশ‍্যেই নিজেকে সায়ন্তর ‘গার্লফ্রেন্ড’ বলে স্বীকার করেছিলেন দেবচন্দ্রিমা। একসঙ্গে মালদ্বীপও ঘুরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু কিছুদিন ধরেই আর চ‍্যানেলের ভিডিওতে দেখা মিলছে না তাঁর।


বিচ্ছেদের কারণ স্পষ্ট ভাবে না বললেও দেবচন্দ্রিমা জানান এই সিদ্ধান্ত তাঁর একার। বিষয়টা যাতে তিক্ততার পর্যায়ে না চলে যায়, মুখ দেখাদেখি যাতে বন্ধ না হয়ে যায় সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, “একটা মানুষকে যখন আমি ভালবেসেছিলাম তখন তার কিছু গুণ দেখেই বেসেছিলাম। তেমনি চার বছর পর যখন সম্পর্কটা ভাঙছে তখন কোনো কারণ বশতই ভাঙছে।” তবে এই কারণটা কী তা খোলসা করতে চাননি দেবচন্দ্রিমা।

জুটির অনুরাগীরা এখনো তাঁদের সম্পর্ক জোড়া লাগার অপেক্ষায় থাকলেও দেবচন্দ্রিমার কথায় বিপরীত আভাস। ইউটিউবে সায়ন্তর ফুড ভ্লগিং চ‍্যানেলে নিয়মিত দেখা যেত দেবচন্দ্রিমাকে। কিন্তু এখন আর তাঁর দেখা না মেলায় অনেকেই সায়ন্তর চ‍্যানেল আনসাবস্ক্রাইব করার হুমকি দিয়েছেন।

বিচ্ছেদ হলেও এদিন প্রাক্তন প্রেমিকের পক্ষ নিয়েই অভিনেত্রী নেটনাগরিকদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর কথায়, ভিডিওর বিষয়বস্তু ভাল না লাগলে আনসাবস্ক্রাইব করতেই পারেন। কিন্তু শুধুমাত্র ভিডিওতে তিনি নেই বলেই না দেখার হুমকি দেওয়া একেবারেই গ্রহণযোগ‍্য নয়। বিষয়টা তাঁর কাছে অত‍্যন্ত বিরক্তিকর বলেও মন্তব‍্য করেন দেবচন্দ্রিমা। তিনি এও বলেন, সায়ন্ত খুবই পরিশ্রম করে ভিডিও বানান। তাই তাঁর মনোবল যাতে ভেঙে না দেওয়া হয় তার অনুরোধ করেন অভিনেত্রী।

Related Articles

Back to top button