টাইমলাইনবিনোদন

মুসলিম বন্ধুর সঙ্গে এক থালায় খেয়ে বড় হয়েছি, ধর্মীয় বিভেদ মনেই আসেনি: দিতিপ্রিয়া রায়

বাংলাহান্ট ডেস্ক: রবিবার বন্ধুত্ব দিবস (Friendship Day)। প্রিয় বন্ধুকে এদিন আরো একবার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলা, পাশে আছি, সাথে আছি। তারকারাও যোগ দিয়েছেন ফ্রেন্ডশিপ ডে সেলিব্রেশনে। তাঁদের মধ‍্যে একজন দিতিপ্রিয়া রায় (Ditipriya Roy)। অভিনয় জীবনে বেশ অনেকদিন কাটিয়ে ফেললেও বাস্তব জীবনে সবে স্কুলের গণ্ডি পেরিয়েছেন দিতিপ্রিয়া। বন্ধুত্ব দিবসে সেই স্কুলের বান্ধবীদেরই নিজের বেস্ট ফ্রেন্ড বললেন অভিনেত্রী।

পাঠভবনে পড়েছেন দিতিপ্রিয়া। স্কুল জীবনে মোট ৮ জন বন্ধুর গ্রুপ ছিল তাঁর বা বলা ভাল এখনো রয়ে গিয়েছে। তাঁদের মধ‍্যে থেকেও আবার দুজন বন্ধুকে নিজের ‘বেস্টি’ বলে দাবি করেন দিতিপ্রিয়া। আক্ষরিক অর্থেই তাঁরা একে অপরের অভিন্নহৃদয় বন্ধু। কারণ মুখে না বললেও মনের কথা বুঝে যান তাঁরা তিনজনেই।


শত ব‍্যস্ততার মধ‍্যেও দুজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন দিতিপ্রিয়া। খারাপ, ভাল সব কথাই শেয়ার করেন। দিতিপ্রিয়ার কথায়, তিনি যদি ‘হা’ বলেন তাহলেও দুই বন্ধু বুঝে যাবেন যে তিনি কী বলতে চাইছেন। অভিনেত্রীর সবথেকে কাছের বন্ধু তাঁরা দুজন। এমনকি দিতিপ্রিয়ার জন্মদিনে খুঁজে খুঁজে মজা করে বাজে ছবিগুলিই শেয়ার করেন তাঁরা। বন্ধুত্ব তো এমনি হয় নাকি!

দিতিপ্রিয়ার এই দুই প্রিয় বন্ধুর নাম সারণী ঘোষ এবং ওয়াহিদা শবনম। এদিন দিতিপ্রিয়া সংবাদ মাধ‍্যমকে বলেন, তাঁর এক প্রিয় বন্ধু মুসলিম ধর্মাবলম্বী। অনেকেই ধর্ম নিয়ে খুঁতখুঁত করে। বৈষম‍্য তৈরির চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁরা ছোটবেলা থেকেই একসঙ্গে বড় হয়েছেন‍। এক থালায় খেয়েছেন পর্যন্ত। ধর্মীয় বিভেদের কথা কোনোদিন মনেও আসেনি। কোনো অসুবিধা হয়নি।

তাই আজ যখন কেউ প্রশ্ন করেন, দুজনের ধর্ম আলাদা হওয়ায় কোনো সমস‍্যা হয় না? তাদের উদ্দেশে দিতিপ্রিয়ার উত্তর, দূর্গাপুজোর আগে নতুন জামা কেনা নিয়ে সবথেকে বেশি উৎসাহী থাকে ওয়াহিদা। আবার ইদে নিমন্ত্রণ থাকে দিতিপ্রিয়াদের। তাঁদের বন্ধুত্বে দুই ধর্মই মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছে।

Related Articles