টাইমলাইনভারত

ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন দ্রৌপদী মুর্মুর পূর্বপুরুষরা, প্রকাশ্যে এল বহু পুরনো তথ্য

বাংলাহান্ট ডেস্ক : গতকাল সন্ধ্যা থেকেই ভারতীয় রাজনীতির ময়দান তোলপাড় করছে একটিই নাম, সেটি হল দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি রাজনীতির কোনও হেভিওয়েট নেতা নন। তবুও আজ নিজ নিষ্ঠায় পৌঁছে গিয়েছেন রাইসিনা হিলসের দোরগোড়ায়। তাকে নিয়ে উঠে আসছে একের পর এক চমকপ্রদ তথ্য। এবার দাবি করা হচ্ছে যে, দ্রৌপদী মুর্মুর পূর্বপুরুষেরা হাতিয়ার তুলে নিয়েছিল ইংরেজদের বিরুদ্ধে। শুনে নেওয়া যাক সেই কাহিনি।

সালটা ১৭৭৪। ভারতে ইংরেজ বণিকদের মানদণ্ড তখনও রাজ দণ্ডে পরিণত হয়নি। কিন্তু, ভারতের প্রাণ জল, জঙ্গল এবং জমির উপর অত্যাচার শুরু করে দিয়েছে। বাংলা থেকেই শুরু হয়েছিল এই অত্যাচার। তৎকালীন বাংলাতে এক বিরাট সংখ্যায় আদিবাসী জন বসতি ছিল। জল-জমি- জঙ্গলই ছিল তাদের পিতা-মাতার সমান। সুতরাং ইংরেজদের বিরুদ্ধে হাতিয়ার না তুলে তাদের আর কোনও রাস্তা ছিল না।

কিছু সাঁওতাল নেতা, তিলকা মাঝি ওরফে জবরা, করিয়া পুজহর এবং রমনা অহাড়ীর নেতৃত্বে আদিবাসীরা তুলে নেয় অস্ত্র। দুই পাহাড়ের মাঝে বসাহাটের রামগড়ে তাঁবু ফেলে ইংরেজরা। তখনই সেই তাঁবু আক্রমণ করে সাঁওতালরা। সম্ভবত ইংরেজরা এই হঠাৎ আক্রমণকে বুঝে উঠতে পারেনি। তাই অনেক ইংরেজ মারা পরে এই আক্রমণে।

এর পর চলে দীর্ঘকালীন যুদ্ধ। কখনও ইংরেজ বাহিনী ঘিরে ফেলে জঙ্গল। কখনও বা বিদ্রোহিদের আচমকা আঘাতে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় তারা। অবশেষে ১৭৮৫ সালের ১৭ জানুয়ারি এই বিদ্রোহের একাধিক নেতাকে ফাঁসি দেয় ইংরেজ। আস্তে আস্তে শান্ত হয়ে আসে নেতৃত্বহীন এই বিদ্রোহের আগুন। বর্তমানে বলা হচ্ছে এই বিদ্রোহে অংশগ্রহণকারীদের পরবর্তী প্রজন্মই হলেন দ্রৌপদী মুর্মু।

Related Articles

Back to top button