টাইমলাইনআন্তর্জাতিকঅন্যান্য

করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেড় ইঞ্চি ছোট হয়ে গিয়েছে লিঙ্গ, নতুন আতঙ্ক ছড়াল মানুষের মধ্যে

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে চলা করোনা মহামারীর জেরে ভীত সকলেই। লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন এই মারণ ভাইরাসে। তবে, করোনা হওয়ার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা সেরে গেলেও শরীরে থেকে যাচ্ছে কিছু সুদূরপ্রসারী প্রভাবও।

এমনিতেই এই মহামারীর শুরু থেকেই করোনার ফলে শ্বাসযন্ত্রের পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গেরও মারাত্মক ক্ষতি হয় বলে দাবি করে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু, এবার যে ঘটনার কথা সামনে এসেছে তাতে চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে বিশেষজ্ঞদেরও।

সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত এক মার্কিন যুবকের শরীরে দেখা দিয়েছে পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য কমে যাওয়ার উপসর্গ। যেই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সব মহলে। জানা গিয়েছে যে, বছর তিরিশের ওই মার্কিন যুবক বেশ কয়েকদিন ধরে করোনার শিকার ছিলেন। তবে, শেষ পর্যন্ত এই মারণ ভাইরাসকে জয় করে তিনি ছাড়া পান হাসপাতাল থেকে।

কিন্তু, বাড়িতে আসার পরই একটার পর একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকে তাঁর সঙ্গে। প্রথমে ওই যুবক লক্ষ্য করেন যে, তিনি লিঙ্গ শিথিলতার শিকার। বেশ কিছুদিনের চিকিৎসার পর সেই সমস্যা দূর হলেও ওই যুবক তারপর দাবি করেন যে, আগের তুলনায় প্রায় দেড় ইঞ্চি কমে গিয়েছে তাঁর লিঙ্গের দৈর্ঘ্য!

তবে, এখানেই শেষ নয়, ওই যুবক আরও দাবি করেছেন যে, পুরুষাঙ্গের সংবহনতন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতির ফলেই ঘটেছে এমন ঘটনা। এদিকে, চিকিৎসকরা এই ক্ষতি চিরস্থায়ী হতে পারে বলেও মনে করছেন।এই ঘটনা চমকে দিয়েছে বিশেষজ্ঞদেরও। তাঁরা জানিয়েছেন যে, এই ধরনের ঘটনা যৌন জীবন তো বটেই, পাশাপাশি আক্রান্তের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও গভীরভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুধু লিঙ্গ শিথিলতাই নয়, পাশাপাশি, অনিচ্ছাকৃত ভাবে পুরুষাঙ্গ একটানা দৃঢ় হয়ে থাকার ঘটনাও করোনার ফলে বিরল নয়। বিজ্ঞানের ভাষায় এই উপসর্গকে বলা হয় প্রায়াপিজম।

এদিকে, এই ঘটনার কারণ সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের করা একটি গবেষণায় স্পষ্ট হয়েছে। সেখানে প্রায় ৩৪০০ জনের উপর করা গবেষণার ভিত্তিতে জানা গিয়েছে যে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ২০০ জনের লিঙ্গ শিথিলতার সমস্যা দেখা দিয়েছে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর। গবেষকরা জানিয়েছেন করোনার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে এন্ডোথেলিয়াল কোষ। আর তার জন্যই দেখা দিচ্ছে লিঙ্গ শিথিলতার মতো ঘটনা।

Related Articles

Back to top button