টাইমলাইনফুটবলখেলা

সুলঞ্জনার শেষ মুহূর্তের দুরন্ত হেডারে এলো প্রত্যাশিত মুহূর্ত! কন্যাশ্রী কাপ চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) সিনিয়র পুরুষ দলকে নিয়ে সকল সমর্থকে হতাশ। টানা কয়েক বছর ধরে দলের ব্যর্থতা দেখে সমর্থকদের মন পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। সেই হতাশার অতয়ে আজ মলম লাগালো ইস্টবেঙ্গল মহিলা দল (East Bengal Women’s Team)। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর কন্যাশ্রী কাপের (Kanyashree Cup) ফাইনালে শ্রীভূমিকে ১-০ ফলে হারিয়ে এই ট্রফি ঘরে তুললো লাল-হলুদ ব্রিগেড। স্বভাবতই সমর্থকরা কিছুটা খুশির মুখ দেখেছেন আজকে।

কন্যাশ্রী কাপ নাম শুনে যারা এটিকে প্রদর্শনী টুর্নামেন্ট ভাবেন তারা অনেকেই এই নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করছেন। কিন্তু সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো হলো যে এটি আসলে রাজ্য মহিলা লিগ। এই লিগ জয়ের পর এবার ভারতীয় মহিলা জাতীয় লিগে অংশগ্রহণের ছাড়পত্র অর্জন করেছে ইস্টবেঙ্গলের মহিলা ফুটবল দল।

আজ দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গিয়েছিল। গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ইস্টবেঙ্গল মহিলা দলের বিরুদ্ধে পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছে শ্রীভূমি। কিন্তু ৮৭ মিনিটে শ্রীভূমি ডিফেন্সের নজর এড়িয়ে দুরন্ত হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন সুলঞ্জনা রাউল। এরপর শ্রীভূমির কাছে আর ম্যাচে ফেরার সময় ছিল না। মাথায় চোট পেয়েও মাঠ না ছেড়ে ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক বুলি সরকারের লড়াই সকলকে মুগ্ধ করেছে। তার মাথায় সেলাই পড়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক সুস্থই আছেন।

sulanjana raul header

গোটা টুর্নামেন্টে অসাধারণ ফুটবল খেলেছে ইস্টবেঙ্গল মহিলা দল। ঐক্য সম্মেলনের বিরুদ্ধে ম্যাচে তারা জয় পেয়েছিল ৩৫-০ ব্যবধানে। এরপর কিছু দল ইস্টবেঙ্গলকে ওয়াকওভারও দিয়ে দেয়। এরপর সেমিফাইনালে মহামেডানকে তিন শূন্য ফলে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিল লাল হলুদ মহিলা দল। আজ ফাইনাল জয়ের পর টিম হাডলে সকলকে ইস্টবেঙ্গলের নামে জয়ধ্বনি দিতে দেখা যায়।

ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকতা দেবব্রত সরকার গোটা কৃতিত্বটা দিয়েছেন মহিলা দলের কোচ সুজাতা করকে। তিনি জানিয়েছেন যে কিভাবে কোচ হিসাবে দলকে সঙ্ঘবদ্ধ এবং পরিশ্রমী করে তুলেছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে এটা বলতে ভোলেননি যদি ইস্টবেঙ্গল সিনিয়র পুরুষ দলের গঠনের দায়িত্বটা তাদের হাতে থাকতো তাহলেও আজ ক্লাব আইএসএল-এর টপ থ্রি-তে থাকতো।

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker