টাইমলাইনফুটবলভিডিওখেলা

আমরা সম্পর্ক জুড়ে রাখতে পারদর্শী, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর আশ্বাস ইমামি কর্তাদের

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তা ও ইমামির মালিকদের উপস্থিতিতে অবেশেষে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ইমামির চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেল। নতুন লাল হলুদ জার্সি গায়ে দিয়ে সেই চুক্তির খুঁটিনাটি সকলের সামনে তুলে ধরলো দুই পক্ষ। চুক্তি অনুযায়ী নতুন যে কোম্পানি তৈরি হলো তাতে ৭৭ শতাংশ শেয়ার থাকছে ইমামির হাতে। ২৩ শতাংশ শেয়ার থাকলো ইস্টবেঙ্গলের হাতে। যেমন আশঙ্কা করা হয়েছিল সেই সম্ভাবনা সত্যি করেই কোম্পানির বোর্ডে ইমামির তরফ থেকে ৭ জন এবং লাল হলুদ ক্লাবের তরফ থেকে ৩ জন সদস্য থাকছে।

জুন মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে ইস্টবেঙ্গলের সাথে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে সম্মত হয়েছিল ইমামি গোষ্ঠী। এর আগে নয়ের দশকের কয়েক বছর ইস্টবেঙ্গলের স্পন্সর ছিল ইমামি, এখন অবশ্য স্পন্সর নয় বিনিয়োগকারী হিসাবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তারা। দুই পক্ষের চুক্তিজট মিটতে দেরি হয়েছে ঠিকই। কিন্তু আজ আদিত্য আগরওয়াল গ্র্যান্ড হোটেলের সাংবাদিক সম্মেলনে সমর্থকদের আশ্বাস দিয়ে জানালেন দেরিতে টিম তৈরি শুরু হলেও ইস্টবেঙ্গল ট্রফি জেতার জন্যই টিম গঠন হবে। সকলের পরামর্শ এবং শুভকামনা সাথে নিয়েই এগিয়ে চলবে ইস্টবেঙ্গল। সেই সঙ্গে ভক্তদেরও তাদের ওপর ভরসা এবং ধৈর্য রাখার অনুরোধ করেছেন আদিত্য বাবু।

ইনভেস্টরের সঙ্গে ক্লাবের সম্পর্ক নিয়ে ইস্টবেঙ্গল ভক্তদের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো নয়। কোয়েস এবং শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ক্লাব কর্তাদের সম্পর্কর অত্যন্ত অবনতি হয়েছিল। কিন্তু সমর্থকদের ভরসা দিয়ে ইমামির আর এক কর্তা মনীশ গোয়েঙ্কা বলেছেন, “ইমামি প্রায় ৫০ বছর পথ চলছে, আমরা আর আগরওয়াল আঙ্কলরা দীর্ঘদিন একসাথে চলছি। আমরা জানি সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয়। ছেড়ে দেওয়ার জন্য আসিনি। এই সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি হবে।”

আজকের এই চুক্তি সইয়ের মুহূর্তে গ্র্যান্ড হোটেলে উপস্থিত ছিলেন বেশ কিছু প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার। তাদের মধ্যে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন অধিনায়ক প্রশান্ত ব্যানার্জি বলেন “ইস্ট বেঙ্গল এত ইতিহাস তৈরি করেছে যে বলে শেষ করা যাবে না। ইমামি গ্রূপ ভারতের শ্রেষ্ঠ ক্লাবের সাথে গাঁটছড়া বাঁধলো। আজ থেকে যাত্রা সবে শুরু। সব শুনে ও পরিকল্পনা বুঝে আমি একজন ইস্টবেঙ্গলের ভক্ত হিসেবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এবার ট্রফির দেখা পাবে ক্লাব।”

Related Articles