টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

করোনা নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধতে ৩ বছর আগের ছবি টুইট তৃণমূলের, ধরিয়ে দিল ‘সেকুল্যার বাঙালি”

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় প্রবাহে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একে একে রেকর্ড ভেঙে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমে ঊর্ধ্বমুখী। মারণ ভাইরাসের এহেন পরিস্থিতির জন্য বারেবারে মোদী সরকারকে দায়ী করছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, ‘করোনার এহেন উদ্বেগ জনক পরিস্থিতি মানুষের তৈরি নয়, মোদির তৈরি’। করোনা মোকাবিলার একাধিক সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার দায়ী করে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়ে আসছেন মমতা।

ভ্যাকসিন ইস্যুতে মোদীকে (Narendra Modi) আক্রমণ করতে ছাড়েন নি তিনি। তবে দেশজুড়ে করোনা যে ভয়াল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে, সেই আগুনে ঘি ঢালছে অক্সিজেনের আকাল। ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক রাজ্য চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে অবহিত করেছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেনের অভাব নিয়ে। দেশে যখন করোনা এমন ভয়াবহ তাণ্ডব দেখিয়ে চলেছে, তখন এরাজ্যের অবস্থাও একেবারে স্থিতিশীল নয়। বিগত একমাসে করোনা যে হারে লাগাম ছাড়া হয়ে উঠেছে, তাতে বেজায় ঘুম উড়েছে রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের। তবে রাজ্য সরকারের তরফে করোনার (Corona) এহেন পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হয়েছে মোদীকে।

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ ‘বাইরে থেকে লোক এনে রাজ্যে করোনা ছড়াচ্ছে মোদি’। পাশাপাশি, গোটা দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও মোদীকে একহাত নিতে ছাড়ছে না তৃণমূল সরকার। প্রতিনিয়ত অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল দেখে একেরপর এক করোনার করুণ দৃশ্য তুলে ধরে মোদী সরকারকে বিঁধে চলেছে তৃণমূল (TMC)। সেই মত গতকাল একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করে তৃণমূল। সেই ছবির মূল বিষয় হল, করোনা পরিস্থিতিতে একজন বৃদ্ধা অক্সিজেনের সিলিন্ডার হাতে নিয়ে রাস্তায় বসে রয়েছে।

তার ক্যাপশনে তৃণমূলের তরফে লেখা হয়েছে এই মায়ের কি অপরাধ মোদীজি ? অর্থাৎ শাসকদলের পক্ষ থেকে ফের মোদীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর উপক্রম চলছিল। ঠিক তখনই ‘সেকুলার বাঙালি’ নামে এক ফেসবুক পেজ প্রথমে সত্যিটা প্রকাশ্যে আনে। তারা প্রমাণ করে তৃণমূলের টুইটারে যে ছবিটি এখনকার বলে দাবি করে পোস্ট করা হয়েছে, তা আদতে তিন বছর আগের। যা সেই সময় আপলোড করেছিল সংবাদ সংস্থা এএনআই। সেটিও ছিল স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোনও একটি ঘটনার ছবি। তবে এই ছবিটি একেবারেই বর্তমানের নয়। ওই ফেসবুক পেজের তরফে এই সত্যি প্রকাশ করে দাবি করা হয় ‘তৃণমূলের বিনাশ কালেই বুদ্ধি লোপ পেয়েছে’ বলে।

Related Articles

Back to top button