বিজেপিকে জম্মু কাশ্মীরে কে এনেছিল ? এই নিয়ে হাউস এরেস্ট অবস্থায় হাতাহাতি করলেন মেহেবুবা-উমর আব্দুল্লাহ ।

ধারা 370 কে সরানোর পরেই মেহবুবা মুফতি ও ওমর আব্দুল্লাহ দুজনেকেই নজর বন্ধি করে রাখা হয়েছে। দুজনকে শ্রীনগরে নজরবন্ধি করে রাখা করে রাখা হয়েছে। এখন দুজনের সাথে জড়িত খবর গুলি সামনে আসছে। দৈনিক ভাস্করে ছাপা রিপোর্ট অনুযায়ী, নজরবন্ধিতে মেহবুবা ও ওমর নিজেদের মধ্যেই লড়াই শুরু করে দেয়। লড়াই এর কারণ জম্মু কাশ্মীর এখন তাদের হাতের বাইরে! আর এটা সম্পূর্ণ বিজেপির কারনে , আর বিজেপির সাথে জোট করেই সরকার গড়েছিলেন মেহবুবা মুফতী ! যদিও বিজেপি পরবর্তীকালে এই জোট ভেঙে দেয় !আর এই বিষয় নিয়েই তাদের মধ্যে শুরু হয় তর্কাতর্কি যা রূপান্তরিত হয় হাতাহাতিতে !কর্মকর্তারা এখন তাদের আলাদা আলাদা জায়গায়  সিফ্ট করে দিয়েছে।

images 2019 08 12T092215.062

দুজনে এখন সেই হরিনিবাসে নজরবন্ধি হয়ে আছেন। যেখানে, সীএম থাকাকালীন তারা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বন্ধি করে রাখতেন। গুলাম নবী আজাদ যখন CM হয় তখন তিনি হরিনিবাসকে সীএম হাউস বানিয়ে দেয়। কিন্তু সেখানে তিনি থাকতে যাননি।হাউস এরেস্ট অবস্থায় দুজনে হাতাহাতি করতে শুরু করে দিয়েছিল। এই কারণে তদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে জম্মু কাশ্মীরে অনুচ্ছেদ 370 কে সরানোর পর অবস্থা ধীরে ধীরে ঠিক হচ্ছে। হাউস এরেস্ট অবস্থায় মেহেবুবা ও উমর আব্দুল্লাহ নিজেদের মধ্যে 370 ইস্যুতে আলোচনা করছিল। হটাৎ করে তাদের মধ্যে গালি গালাজ শুরু হয়। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি হাতাহাতি, লড়াইতে গিয়ে পৌঁছায়।

জম্মুতে ধারা ১৪৪ কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাবা, কঠুয়া, রিয়াসী, রামবন ও উধামপুরে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সোমবার ঈদ উপলক্ষে অনেক এলাকা ও বাজারে রোনাক দেখা দেয়, লোকেরা বাজারে কেনাকাটা করছে, পুলিশও বলেছে খুব তাড়াতাড়ি সব প্রতিবন্ধতা সরিয়ে নেওয়া হবে।

 

রাজ্যপাল সত্যপাল মল্লিক বলেন “এবার ঘাঁটিতে স্বাধীন ঈদ পালন করা হবে। সব লোক ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর নির্ভয়ে ভাবে সবাই ঈদ পালন করবে। সত্যপাল মল্লিক  বলেন যে  পিএম বলেছিলেন পুরো হিন্দুস্থানকে এক বানাতে চায়, এখানের নাগরিকদের কোনো ধরনের অসুবিধা যাতে না হয় এটাই আমাদের চেষ্টা থাকবে।

সম্পর্কিত খবর