টাইমলাইনভারত

ভারতের ৫ জন কোটিপতি ভিক্ষুক, যাদের জীবন যাপন ধনকুবেরদের লজ্জা দেয়

আরামদায়ক জীবনযাপন সবাই কম বেশি চেয়ে থাকি।এর জন্যও আমরা প্রত্যেকে পরিশ্রমও করি। কেউ করেন চাকরি বা কেউ করেন ব্যাবসা । কেউ বা নিজের মতো কাজ করে উপার্জন করে । তবে পরিশ্রম না করে আরামদায়ক জীবন যাপন পাওয়া তা খুবই বিরল দেখা যায়। তবে ভিক্ষা করে কোটিপতি দের মতো আরামদায়ক জীবন যাপনের লিস্টে থাকা 5জন ভিখারির জীবন সত্যি অবাক করার মতো। তাও আবার তারা প্রত্যেকেই ভারতে বসবাস করে।

এর মধ্যে প্ৰথম যে নামটি আসে ,তার নাম ভারত জৈন।
বিভিন্ন ম্যাগাজিন এ প্রকাশিত হয়েছে ,তিনি ভিক্ষা করে মাসে যে টাকা উপার্জন করেন তা অনেকে পরিশ্রম করেও অতো টাকা উপার্জন করতে পারেন না। তিনি মাসে ৭৫হাজার টাকা উপার্জন করেন। তিনি মুম্বাই শহরের এক পল্লীতে ভিক্ষা করেন। তিনি একটি বিলাসবহুল ফ্লাট কিনেছেন তার মূল্য ৭০লক্ষ টাকা।তার সম্পত্তির যা পরিমাণ। তা একজন কোটিপতির আরামদায়ক জীবন যাপনের থেকে কম না।

দ্বিতীয় যার নাম আসে ভিখারির তালিকায়,
সে হলো লক্ষ্মী। লক্ষী কোলকাতায় এক গলিতে ভিক্ষা করে। ১৯৬৪ সাল থেকে ভিক্ষা করা শুরু করে। তখন সে নাবালিকা ছিলো তার বয়স ছিলো ১৬ । সে এখন লাখ সম্পত্তির মালিক। প্রতি দিন হাজার টাকা ভিক্ষা করে পায়।মাসে তার ৩০হাজার টাকা জমা হয়। তার সমস্ত টাকা এখন ব্যাংক এ আছে।

তৃতীয় যার নামটি আসে সে হলো গীতা ।
গীতা মুম্বাইয়ের রাস্তারপাশে বসে ভিক্ষা করে ।তার প্রতিদিন ন্যূনতম ১৫০০টাকা ভিক্ষা করে উপার্জন করে। যা প্রতি মাসে হিসাব করলে ৪৫০০০হাজার টাকা হয়। সে একটি ফ্ল্যাটও কিনেছে ।সেখানে সে তার ভাইয়ের সাথে থাকে।

চন্দ্র নামে ব্যক্তি ভিখারির তালিকায় চতুর্থ নামে আছে।
বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে যে সে যা সম্পত্তি ভিক্ষা করে উপার্জন করেছে তা একজন লাখপতির থেকে কম নয়।
তার ব্যাংক কে জমানো টাকা ৮.৭৭লক্ষ ।নিজের নামে একটি ফ্ল্যাটও কিনেছে। তবে তার এত সম্পত্তি ভোগ করতে পারেনি,এক ট্রেন দুর্ঘটনায় সে মারা যায়।

সর্বশেষ পঞ্চম নাম যার সে হলো পাপ্পু।
পাপ্পু প্ৰথমদিকে ভিক্ষা করতো না সে বিহারের পাটনা শহরের রেল স্টেশন প্লাটফর্ম এ কাজ করতো। তবে এক দুর্ঘটনায় তার পা ভেঙে যায়। তখন থেকে সে ভিক্ষা করা শুরু করে স্টেশনে । এখন সে ১.২৫কোটি টাকার মালিক।

সত্যি ভাবতে অবাক লাগে মানুষ রোদ জল বৃষ্টিতে কষ্ট করে টাকা উপার্জন করেও অনেকে এত টাকার মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখে না।কিন্তু ভিক্ষা করে এত টাকার মালিক হওয়া যায় তা সত্যি অদ্ভুত বিষয়।

Back to top button