টাইমলাইনআন্তর্জাতিক

বেজিংকে উচিৎ শিক্ষা দিয়েছে দিল্লী, ২০২০ সালে ভারতের সামনে মাথা নত হয়েছে চীনের! দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ ভারত গতবছর মহামারীর মধ্যে বিদেশ নীতিতে কামাল দেখিয়েছিল। আমেরিকার এই শীর্ষ গোয়েন্দা এজেন্সি জানিয়েছেন, ভারত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০২০ সালে আক্রমনাত্বক বিদেশ নীতি আপন করে, যা দেশের শক্তি প্রদর্শন তথা সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভারত মহাসাগর অঞ্চলে সুরক্ষা প্রদাতা হিসেবে ধারণার উপর ভিত্তি ছিল।

‘ডিফেন্সত ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি” নে আমেরিকার সাংসদদের এও জানায় যে, নয়া দিল্লীর আক্রমনাত্বক চিনের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এজেন্সির নিরদেশক স্কট ব্যারিয়ার বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আমেরিকার কংগ্রেসে নিজের মন্তব্য পেশের সময় সিনেটের সশস্ত্র সেবা সমিতিকে বলেন, ‘গোটা ২০২০ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার এক বিশেষ বিদেশ নীতি আপন করেন, যা দেশের শক্তিকে প্রদর্শিত করেছিল।”

উনি শুক্রবার বলেন, করোনার প্রথম দিকে ভারত গোটা দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা আর পশ্চিম এশিয়ার দেশে চিকিৎসার সরঞ্জাম উপলব্ধ করানোর আর ভাইরাসের প্রকোপে আসা এলাকাগুলি থেকে ভারতীয় এবং অন্য দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের উদ্ধার করার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

তিনি বলেন, ২০২০ সালে যখন চিন বিতর্কিত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের অধীনে থাকা এলাকায় অতিক্রমণ করার প্রচেষ্টা করেছিল, তখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ফাটল ধরার পর নয়া দিল্লী বেজিংয়ের বিরুদ্ধে নিজের কঠোর মনোভাব আপন করে। তিনি বলেম জুন মাসে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত আর চিনের মধ্যে হওয়া সংঘর্ষের পর নয়া দিল্লী ৪০ হাজার অতিরিক্ত জওয়ান, কামান, ট্যাঙ্ক আর বিমান মোতায়েন করে বিতর্কিত অঞ্চলে নিজেদের অধিকার কায়েম করে।

ব্যারিয়ার আরও বলেন, ভারত চীনের বিরুদ্ধে আর্থিক পদক্ষেপও নেয় আর চীনের মোবাইল অ্যাপ দেশে নিষিদ্ধ করে দেয়। তিনি বলেন, পাকিস্তানকে নিয়েও ভারত কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে আর ভারত বিরোধী জঙ্গি সংগঠনগুলিকে আর্থিক সহায়তা বন্ধ না করা পর্যন্ত কূটনৈতিক বার্তা করবে না বলে জানিয়ে দেয়।

Back to top button