টাইমলাইনভারতখেলা

জানানো হয়নি বোনের মৃত্যু সংবাদ, দেশে ফিরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ভারতীয় স্প্রিন্টার

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অলিম্পিকে এবার অসামান্য প্রদর্শন করেছে ভারতীয় দল। সূর্যোদয়ের দেশে ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা ছিনিয়ে নিয়েছেন সাত সাতটি পদক। সাম্প্রতিক অতীতে ভারতের সবচেয়ে ভালো ফলাফল হয়েছিল ২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে। সেই ফলাফল এবার টপকে গিয়েছে ভারত। স্থাপিত হয়েছে এক নতুন রেকর্ড। পদক তালিকায় এবার ভারত শেষ করেছে ৪৮ তম স্থানে। ভারতীয় খেলোয়াড়দের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে স্বাভাবিকভাবেই এখন গর্বিত সকলে। একের পর এক অলিম্পিয়ানরা যখন দেশে ফিরছেন উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ছে সর্মথকরা।

কিন্তু এরই মাঝে থেকে গেল নিদারুণ কান্নার রেস। দেশে ফিরেই মর্মান্তিক দুঃসংবাদের জেরে চোখের জলে ভাসলেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদ ধনলক্ষ্মী শেখর। ৪×৪০০ মিটার রিলে রেস প্রতিযোগিতায় ভারতীয় দলের প্রতিনিধি ছিলেন ধনলক্ষ্মী। যদিও মূল দলে ছিলেন না তিনি, ছিলেন অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবেই। শনিবার স্প্রিন্টার শুভা ভেঙ্কট রমনের সঙ্গে তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লিতে নিজের গ্রামে ফিরে আসেন তিনি। ফিরে এসেই শুনতে হয় এক মর্মান্তিক দুঃসংবাদ, মারা গিয়েছেন তার প্রাণপ্রিয় বোন। কিছুক্ষণ আগেই যে মেয়েটি ভাসছিলেন উষ্ণ অভ্যর্থনায় এবার তিনি ভেঙে পড়েন কান্নায়।

দেশের জন্য কর্তব্য করতে গিয়েছে মেয়ে। এ ধরনের দুঃসংবাদ শুনলে প্রভাব পড়তে পারে তা প্রদর্শনে। আর তাই পুরো খবরটাই মেয়ের কাছ থেকে চেপে রেখেছিলেন মা ঊষা। একদিকে মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণা, অন্যদিকে অন্য মেয়ের জন্য যাতে একটু ক্ষতি না হয় তার জন্য কষ্ট চেপে রেখেছিলেন বুকে। একথা জানার পর স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ধনলক্ষ্মী। একজন খেলোয়াড়কে যে কতখানি ত্যাগ সহ্য করতে হয় আরও একবার প্রমান হয়ে গেল এই ঘটনায়।

কিছুদিন আগেই ভারতীয় হকি দলের অন্যতম প্রতিনিধি বন্দনা কাটারিয়াকে নিয়ে জাতি বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য উঠে এসেছিল খবরের শিরোনামে। পরে জানা গিয়েছিল, অলিম্পিকের পারফরমেন্সে প্রভাব পড়বে বলে বাবার শেষকৃত্যেও থাকতে পারেননি বন্দনা। এটাই একজন খেলোয়াড়ের দেশের জন্য আত্মত্যাগ। একই ঘটনা দেখা গেল ধনলক্ষ্মীর ক্ষেত্রেও।

 

Related Articles

Back to top button