আন্তর্জাতিকটাইমলাইন

ভারত-চীন এর মধ্যে চলা উত্তেজনার মাঝে ড্রাগনকে হুঁশিয়ার করলো দুটি বড় দেশ

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মস্কোয় (Moscow) ভারত (India) আর চীনের (China) বিদেশ মন্ত্রীর মধ্যে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলা আলোচনার পরেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বজায় আছে। দুই দেশের সেনা লাদাখে হাতিয়ার আর গোলা বারুদের সাথে ৩০০ মিটার দূরত্ব মুখোমুখি হয়ে আছে। আর এর মধ্যে জাপান (Japan) এবং তাইওয়ান (Taiwan) নিজেদের দেশের বায়ুসীমা অতিক্রম করার জন্য চীনকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলো।

শি জিনপিং/ Xi Jinping

তাইওয়ানের উপরাষ্ট্রপতি লাই চিং-তে বলেন, চীন বায়ুসীমা অতিক্রম করে নিজেদের ফাইটার জেটকে আমাদের দেশের সীমান্ত লঙ্ঘন করা থেকে বিরত রাখুক। তাইওয়ান জানিয়েছে যে, তাঁরা নিজদের বায়ু সীমা রক্ষার জন্য এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন বানাচ্ছে। আর এই কারণে চীন যেন আগামী দিনে আর কোন দুঃসাহস না দেখায়। উপরাষ্ট্রপতি স্পষ্ট করে জানিয়েছন যে, তাইওয়ান শান্তি চায় কিন্তু নিজেদের দেশ আর দেশবাসীর রক্ষার জন্য লড়তেও পারে।

আরেকদিকে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী তারো কোনো চীনকে জাপানের সুরক্ষার জন্য সবথেকে বড় বিপদ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কোনো বলেন, চীন পূর্ব চীনা সাগরে আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কোনো বলেন, ‘যখন আমি জাপানের বিদেশ মন্ত্রী ছিলাম তখন চীনকে জাপানের জন্য বিপদ বলা থেকে বিরত থাকতাম। কিন্তু, এখন যখন আমি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হয়েছি, তখন আমি গম্ভির ভাবে বিচার করার পরই বলছি যে, চীন জাপানের জন্য সবথেকে বড় বিপদ।”

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের দেশের প্রত্যেক সেন্টিমিটার রক্ষার জন্য সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত। আমরা পূর্ব চীনা সাগরে আমাদের সেনকাকু আইল্যান্ডের জন্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়ব। যদি আমরা সেনকাকু দ্বীপ না বাঁচাই, তাহলে চীন সেখানে নিজেদের সেনা মোতায়েন করে দেবে। আর দক্ষিণ চীন সাগরকে মিলিট্রি জোনে বদলে দেবে। কোনো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে এই বিপদকে অনেক আগেই বুঝে গিয়েছিলেন। আর সেই হিসেবে আমাদের নীতি কাজ করবে।

উনি বলেন, আর্থিক আর সেনা শক্তি হিসেবে উঠে আসা চীন প্রত্যেক আন্তর্জাতিক আইন ভাঙার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। চীনকে রোখা শুধু আমেরিকা আর জাপানের একার কাজ না। এরজন্য আমরা অন্য দেশ গুলোর সাথে সামাঞ্জস্য বাড়িয়ে চীনকে রোখার ব্যবস্থা করছি। কোনা জানান, জাপান, আমেরিকা, ভারত আর অস্ট্রেলিয়া চীনের সাথে মোকাবিলা করার জন্য সহমতিতে বিচার করে চলেছে।

Back to top button