টাইমলাইনবিনোদন

হজরত মহম্মদের ‘কার্টুন’এর জন‍্য শিক্ষকের মুণ্ডচ্ছেদ! টুইটারে ফের ধর্ম নিয়ে বিষ্ফোরণ কঙ্গনার

বাংলাহান্ট ডেস্ক: টুইটারে ফের ধর্ম, সম্প্রদায় নিয়ে বোমা ফাটালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত (kangana ranawat)। প‍্যারিসে (paris) হজরত মহম্মদের কার্টুন আঁকায় শিক্ষকের মুণ্ডচ্ছেদের ঘটনা নিয়ে সোশ‍্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন কঙ্গনা।

টুইটে কঙ্গনা লেখেন, ‘আমি অবাক হয়ে যাই এটা দেখে যে একটা ধর্ম সমালোচনার প্রতি কতটা অসহিষ্ণু, সম্পূর্ণ পুরুষ কেন্দ্রিক, মহিলা, প্রাণী, প্রকৃতি কোনো কিছুকেই শ্রদ্ধা করে না। তাও এখনকার সময়ে এটাই সবথেকে দ্রুত বেড়ে চলা ধর্ম এবং বুদ্ধিজীবীরাও এই ধর্মকে সমর্থন করেন। কি করে?’

তিনি আরো লেখেন, ‘একটা ব‍্যঙ্গচিত্রের জন‍্য একজন শিক্ষকের মুণ্ডচ্ছেদ করা হল। আমরা শুধু কল্পনাই করতে পারি এই আক্রমণকারীরা আমাদের লোকেদের কি অবস্থা করেছিল। আজকের ডিজিটাল যুগে শিক্ষিত হয়েও তারা রাক্ষসের মতো ব‍্যবহার করে। তাহলে যখন তারা যাযাবর ছিল তখন ভারতের কি অবস্থা করেছিল?’

এখানেই শেষ নয়। ক্রমাগত ক্ষোভ উগরে দিয়ে আরো কয়েকটি টুইট করেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, ‘হিন্দুদের জীবনের কোনো মূল‍্য নেই। পশ্চিমে এখনো পর্যন্ত ৫০-৬০ লক্ষ ইহুদি গণহত‍্যার উপর ফিল্ম বানায় যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে। একশো বছরের দাসত্বে আমরা কি জানতে পেরেছি কতজন হিন্দু মারা গিয়েছে? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মৃত ইহুদিদের তুলনায় সংখ‍্যাটা ১০০ গুণ বেশি। তাও হিন্দু গণহত‍্যার উপর কোনো ফিল্ম নেই।’

 

আমির খানের ‘পিকে’ ছবির বিরুদ্ধেও তোপ দেগে কঙ্গনা লেখেন, ‘হিন্দুরা যদি এমন তথাকথিত শান্তিপূর্ণ অসহিষ্ণুতা দেখাতো তাহলে অনেক আগেই গোটা বলিউডের মুণ্ডচ্ছেদ হয়ে যেত। আমাদের ধর্ম নিয়ে এরা অবমাননাকর ফিল্ম বানায় আর অন‍্যদিকে বলে গেরুয়া রংকে তারা ভয় পায়।’

 

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে স্কুলে ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাক স্বাধীনতার শিক্ষা দিতে গিয়ে এক শিক্ষক হজরত মহম্মদের একটি কার্টুন দেখিয়েছিলেন। সেই ‘অপরাধে’ শুক্রবার প‍্যারিসের প্রকাশ‍্য রাস্তায় ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি দিয়ে ওই শিক্ষকের মুণ্ডচ্ছেদ করেন এক চেচেন ব‍্যক্তি। পুলিস তাঁকে গ্রেফতার করতে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার হুমকি দেন ওই ব‍্যক্তি। বাধ‍্য হয়ে তাঁকে গুলি করে পুলিস।

Back to top button