টাইমলাইনবিনোদন

মধ‍্যপ্রদেশের মুখ‍্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ‘লাভ জিহাদ’ বিরোধী আইনের ভূয়সী প্রশংসা কঙ্গনার

বাংলাহান্ট ডেস্ক: মধ‍্যপ্রদেশে (madhya pradesh) ‘লাভ জিহাদ’ (love jihad) বিরোধী আইন পাশ হওয়া নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত (kangana ranawat)। মধ‍্যপ্রদেশের মুখ‍্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের (shivraj singh chouhan) সঙ্গে দেখা করে এই আইন পাশ হওয়া নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন কঙ্গনা। তাঁর মতে, লাভ জিহাদ আইন বিরোধী পাশ হওয়া খুব দরকার ছিল। এতে মিথ‍্যে বিয়ের সংখ‍্যা কমবে।

আসলে আগামী ছবি ‘ধাকড়’ এর টিমের সঙ্গে মধ‍্যপ্রদেশ গিয়েছেন কঙ্গনা। সেখানে গিয়েই শনিবার মুখ‍্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কঙ্গনা জানান, তাঁর মনে হচ্ছিল নিজের পরিবারেরই কোনো সদস‍্যের সঙ্গে দেখা হয়েছে।


লাভ জিহাদ বিরোধী আইন পাশ হওয়া নিয়ে কঙ্গনা বক্তব‍্য, এতে মিথ‍্যে বিয়ে বন্ধ হবে। এই আইনের খুব প্রয়োজন ছিল বলেও জানান অভিনেত্রী। উত্তরপ্রদেশের পর মধ‍্যপ্রদেশে পাশ হয়েছে লাভ জিহাদ বিরোধী আইন। বিয়ের অজুহাতে জোর করে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১০ বছর পর্যন্ত সাজার বিধান রয়েছে এই আইনে।


প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কৃষক আন্দোলন ইস‍্যুতে ফের বিপাকে পড়েন কঙ্গনা রানাওয়াত। কৃষক আন্দোলনের মিছিলে পাঞ্জাবের বৃদ্ধা মহিন্দর কউরকে শাহিনবাগের দাদি বিলকিস বানো বলে ভুল করে তীর্যক টুইট করেছিলেন কঙ্গনা। সেই টুইটের পরিপ্রেক্ষিতেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন মহিন্দর কউর।

পাঞ্জাবের এক আদালতে কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিন্দর। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় দায়ের হয়েছে মামলা। আগামী ১১ জানুয়ারি ধার্য হয়েছে মামলার শুনানির তারিখ।

প্রসঙ্গত, কৃষক আন্দোলনের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ‍্যাল মিডিয়ায়। সেখানে এক বৃদ্ধা মহিলাকেও আন্দোলনে পা মেলাতে দেখা যায়। সেই ছবি টুইট করে কঙ্গনা লেখেন, এই সেই শাহিন বাগের বিলকিস দাদি। ১০০ টাকার বিনিময়ে কৃষক আন্দোলেও যোগ দিয়েছেন তিনি।

তাঁর এই টুইট ঘিরে তুমুল বিতর্ক শুরু হতে বাধ‍্য হয়ে টুইট মুছেও ফেলেন কঙ্গনা। কিন্তু এত মারাত্মক ভুল করেও ক্ষমা চাননি অভিনেত্রী, এমনটাই বক্তব‍্য মহিন্দর কউরের। তাঁর অভিযোগ, কঙ্গনার মন্তব‍্যের জন‍্য সকলের কাছে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে।

আগেও কঙ্গনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতে দেখা গিয়েছিল বৃদ্ধাকে। তিনি সপাটে মন্তব‍্য করেছিলেন, এই বয়সেও নিজে ফসল ফলান তিনি। ১০০ টাকার কোনো দরকার নেই তাঁর। তবে কঙ্গনা দাবি করেছিলেন, এই মহিন্দর কউরকে নাকি তিনি চেনেনই না।

Back to top button