টাইমলাইনবিনোদনভিডিও

রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে এত ভয় কিসের? অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হতেও দমলেন না কঙ্গনা

বাংলাহান্ট ডেস্ক: টুইটারে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে আজীবনের মতো কঙ্গনা রানাওয়াতের (kangana ranawat) টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করল টুইটার কর্তৃপক্ষ।  বাংলায় একুশের নির্বাচনের ফল বেরোনোর আগে থেকেই মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের উদ্দেশে লাগাতার আক্রমণ শানাতে দেখা গিয়েছে কঙ্গনাকে। টুইটারের মাধ‍্যমে ঘৃণা ছড়ানো ও মানুষকে উসকানোর অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে কঙ্গনার অ্যাকাউন্ট।

তবে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হতেও হাল ছাড়েননি অভিনেত্রী। নিজের ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক হ‍্যান্ডেলে ফের বিষ্ফোরণ ঘটিয়েছেন তিনি। একটি ভিডিও পোস্ট করে নির্বাচনের পরে বাংলার মানুষের দুর্দশার কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন, টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হতে তাঁর কিছুই যায় আসে না কারণ তাঁর কাছে অন‍্য মাধ‍্যম রয়েছে।


চোখে জল নিয়ে ভিডিও বার্তায় কঙ্গনা বলেছেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি বাংলা থেকে খুবই অস্বস্তিকর ছবি, ভিডিও প্রকাশ‍্যে আসছে। প্রকাশ‍্যে মানুষকে হত‍্যা করা হচ্ছে, গণধর্ষণ হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু কেউ কিছু বলছে না। কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ‍্যম এই খবরগুলো প্রকাশ‍্যে আনছে না। আমি জানি না ভারতের বিরুদ্ধে এরা কি ষড়যন্ত্র করছে। হিন্দু রক্ত কি এতই সস্তা? কারণ এটা খুবই অস্বাভাবিক যা ঘটছে।’

তিনি আরো প্রশ্ন তুলেছেন, ‘দেশদ্রোহীরা কি এবার দেশ চালাবে? জওহরলাল নেহরু বারো কা আটবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী পঞ্চাশ বার, মনমোহন সিং দশ বারো জারি করেছিলেন তাহলে আমরা কাকে ভয় পাচ্ছে? দেশটাকে কি এবার এই দেশদ্রোহীরা চালাবে? সরকারকে আবেদন জানাই যত দ্রুত সম্ভব এই গণহত‍্যা বন্ধ করুন।’

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করেন কুইন অভিনেত্রী। নির্বাচনের পরে বীরভূমের নানুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে টুইট করেন বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে নিরাপত্তা দাবি করে তিনি লেখেন, বিজেপি কর্মীদের উপর প্রতিশোধ নিতে চেষ্টা করা ক্ষিপ্ত জনতার হাত থেকে বাঁচতে একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষ মাঠে নেমে এসেছে।

এই টুইটের পরিপ্রেক্ষিতেই কঙ্গনা পালটা লেখেন, ‘এটা ভয়ঙ্কর। গুন্ডাইকে মারার জন‍্য আমাদের সুপার গুন্ডাই প্রয়োজন। উনি একজন ভয়াবহ দানবের মতো। তাঁকে আটকানোর জন‍্য ২০০০ সালের প্রথম দিকের বিরাট রূপটা দেখান মোদীজি।’ এরপরেই সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় অভিনেত্রীর টুইটার অ্যাকাউন্ট।

Back to top button