টাইমলাইনখেলাক্রিকেটIPL

মিলারের তান্ডবে ফিকে হয়ে গেলেন বাটলার, অভিষেক মরশুমেই IPL-এর ফাইনালে গুজরাট

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: গ্রূপপর্বের ফর্ম প্লে অফেও বজায় রাখলো গুজরাট টাইটান্স। আজ বোলাররা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেননি। রান বিলিয়েছেন শামি, সাই কিশোর-রা। রান পাননি ফর্মে থাকা ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহাও। কিন্তু তাও প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৭ উইকেটে জিতে ফাইনালের টিকিট পেলো হার্দিক পান্ডিয়ারা। আজকের পরাজিত রাজস্থান রয়্যালসকে এলিমিনেটরের আরসিবি বা লখনউ সুপার জাযান্টসের মধ্যে বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলতে হবে আহমেদাবাদে।

আজ টসে জিতে রাজস্থানকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান পান্ডিয়া। শুরুতেই ব্যাট করতে বেশ কিছুটা বেকায়দায় পরে গিয়েছিল রাজস্থান। গত ম্যাচের নায়ক যশস্বী আজ ৩ রান করে আউট হন। বাটলারের ভাগ্য ভালো থাকায় তিনি বেশ কয়েকবার বেঁচে যান। কিন্তু শুরুর দিকে অত্যন্ত ধীর গতিতে ব্যাটিং করছিলেন তিনি। এমন অবস্থায় রাজস্থানের হয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন সঞ্জু স্যামসন। ২৬ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা সহ ৪৭ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলে আউট হন তিনি।

তিনি আউট হলে হাত খোলেন বাটলার। কিন্তু দেবদত্ত পাডিকল (২৮) ছাড়া আর কেউ তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি। তবে বাটলার পরপর কয়েকটি বাজে ম্যাচের পর আজ আবার দুর্দান্ত ছন্দে ব্যাট করলেন ইনিংসের শেষদিকে। একসময় ৩১ বলে ৩০ রানে ব্যাটিং করতে থাকা বাটলার আজ যখন আলঝারি জোসেফের থ্রো-তে রান আউট হন তখন তার নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা সহ ৫৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস। গুজরাটের বোলাররা তাকে আটকাতে পারেননি। ব্যতিক্রম শুধু রশিদ খান। কোনও উইকেট না পেলেও নিজের চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দেন তিনি। ২ ওভারে ১৪ রান দিয়ে এক উইকেট নেন অধিনায়ক হার্দিক।

এরপর রান তাড়া করতে নেমে ফর্মে থাকা ঋদ্ধিমান সাহা-কে প্রথম ওভারেই ফেরান ট্রেন্ট বোল্ট। তারপর নিজেদের মধ্যে ৭২ রানের একটি পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন গুজরাটের অপর ওপেনার শুভমান গিল এবং ৩ নম্বরে নামা ম্যাথু ওয়েড। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৫ রান করে আউট হয়ে ফেরেন দুজনেই। এরপর মিলারকে সাথে নিয়ে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান হার্দিক। প্রথমদিকে অত্যন্ত ধীরে শুরু করলেও শেষ দিকে জ্বলে উঠেন ডেভিড মিলার। দুজনের মধ্যে অবিচ্ছেদ্য ১০৬ রানের পার্টনারশিপ হয়। শেষ ওভারে জিততে গেলে ১৬ রান করতে হতো গুজরাট টাইটান্সকে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা-র প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন মিলার। নিজে অপরাজিত থাকেন ৩৮ বলে ৬৮ রান করে। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়াও।

Related Articles

Back to top button