টাইমলাইনভারতখেলাআন্তর্জাতিকক্রিকেট

শেষ বেলায় দুর্ধর্ষ লড়াই করেও ব্যর্থ দিল্লি, সাত বছর পর আবার ফাইনালে কিং খানের কেকেআর

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। আজ ফাইনালে পৌঁছানোর লড়াই ছিল কলকাতা এবং দিল্লির মধ্যে। টসের ভাগ্য এদিন কার্যত ভালোই ছিল কলকাতার, টসে জিতে এদিন প্রথম ফিল্ডিং গ্রহণ করেন অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান। কেকেআরের বোলিং আগুনে রীতিমতো সফল প্রমাণিত হয় তার এই সিদ্ধান্ত।

ফের একবার বরুণ চক্রবর্তীর সামনে আজ শুরু থেকেই ছন্দ হারাতে থাকে দিল্লি। প্রথমেই ১৮ রানে পৃথ্বীকে ঘরে ফেরান তিনি। এরপর ১৮ রানের মাথায় স্টয়নিসকেও ফিরিয়ে দেন মাভি। শিখর এবং আইয়ার মিলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন ঠিকই কিন্তু ফের একবার জ্বলে ওঠেন বরুণ। ৩৬ রানের ইনিংস খেলে ক্রমশ কলকাতার মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠতে থাকা শিখরকে ফিরিয়ে আজ কার্যত দিল্লির কোমর ভেঙে দেন তিনি। শ্রেয়াস শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন ঠিকই কিন্তু অধিনায়ক পন্থ বা হেটমায়ার আজ কেউই তার সঙ্গ দিতে পারেননি। ফলতো শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেই ইনিংস শেষ করে দিল্লি।

 

কেকেআরের হয়ে এদিন ২৬ রান দিয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট শিকার করেন বরুণ চক্রবর্তী। একটি করে উইকেট পান ফার্গুসন এবং মাভি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে আজ কোনরকম তাড়াহুড়ো করতে দেখা যায়নি ভেঙ্কটেশ আইয়ার কিম্বা শুভমান গিলকে। তাদের ৯৬ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপের দৌলতে কার্যত শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল দিল্লি। যদিও আজ ম্যাচ শেষ করে যেতে পারেননি ভেঙ্কটেশ। মাত্র ৪১ বলে চারটি বাউন্ডারি এবং তিনটি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে সাজানো ৫৫ রানের ইনিংস খেলে রাবাডার শিকারে পরিণত হন তিনি।

তবে অপর দিকে নিজের ধারাবাহিক ভালো ফর্ম বজায় রেখেছিলেন শুভমান গিল। যদিও ম্যাচের একেবারে শেষ পর্যায়ে ফের একবার জ্বলে ওঠে দিল্লি। একদিকে যেমন ১৩ রানে রানাকে ফিরিয়ে দেন নকিয়া। তেমনি অন্যদিকে ৪৬ রানে আবেশ খান ফিরিয়ে দেন ফিরিয়ে দেন গিলকেও। প্রাক্তন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিককেও এদিন খাতা খুলতে দেননি রাবাডা। ফলতো শেষ দুই ওভারে ১১ রান তুলতেও রীতিমতো লাচার অবস্থা হয়েছিল কলকাতার। এমনকি ১৯ তম ওভারে নকিয়ার বলে বোল্ড হন মর্গ্যানও। শেষ ওভারে জয়ের জন্য কলকাতার দরকার ছিল ৭ রান আর সামনে ছিলেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন, এদিন ফের একবার দিল্লির হয়ে জ্বলে ওঠেন তিনিও। খাতা খোলার আগেই আজ সাকিব এবং নারিনকে ফিরিয়ে কলকাতাকে বড় ঝটকা দেন তিনি। কিন্তু এক বল বাকি থাকতে আজ ৬ মেরে ম্যাচ করে দেন রাহুল ত্রিপাঠী। ফলে ৭ বছর পর ফের একবার ফাইনালে পৌঁছালো কলকাতা। এবার তাদের লড়াই হবে ধনী বাহিনীর সঙ্গে।

 

Related Articles

Back to top button