টাইমলাইনভারতখেলাআন্তর্জাতিকক্রিকেট

নারিনের বিধ্বংসী ব্যাটিং বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পণ কোহলিদের, শেষ ওভারে জয় পেলো KKR

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আইপিএল এসে পৌঁছেছে একেবারে শেষ পর্যায়ে, ইতিমধ্যেই প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। আজ প্রথম এলিমিনেটরে মুখোমুখি হয়েছিল ব্যাঙ্গালোর এবং কলকাতা। আরসিবির জন্য যেমন লড়াই ছিল এলিমিনেটর জিতে প্রথম ট্রফি জয়ের স্বপ্ন জিইয়ে রাখা, তেমনি অন্যদিকে কলকাতার লড়াই ছিল তৃতীয়বার ট্রফি জয়ের স্বপ্নকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। টসে জিতে এদিন প্রথম ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। শুরুটা ভালোই করেছিলেন দেবদূত এবং কোহলি। কিন্তু ২১ রানে লকি ফার্গুসনের বলে দেবদূত বোল্ড হতেই সমস্যা শুরু হয় আরসিবির জন্য।

গত ম্যাচের নায়ক শ্রীকর ভরতকেও মাত্র ৯ রানেই এ দিন সাজঘরে ফেরান নারিন। ফলত গুরু দায়িত্ব ছিল কোহলির কাঁধে। আজ বেশ ছন্দেই ছিলেন আরসিবি অধিনায়ক। মাত্র ৩৩ বলেই ৫ টি বাউন্ডারি দিয়ে ৩৯ রানের ইনিংসও সাজিয়ে ফেলেছিলেন তিনি, কার্যত সর্মথকরা অনেকেই ভাবতে শুরু করেছিলেন আজ হয়তো দিন হতে চলেছে কোহলির। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে কোহলিকে বোল্ড করে নায়ক হয়ে ওঠেন নারিন। শুধু কোহলি নয় ম্যাক্সওয়েল এবং ডিভিলিয়ার্সকেও শিকার করেন তিনিই। তার এই আগুনে বোলিংয়ের সামনে আজ কার্যত অসহায় আত্মসমর্পণ করে আরসিবি মিডল অর্ডার। যোগ্য সঙ্গ দেন লকি ফার্গুসনও।

ফলত শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানেই শেষ হয়ে যায় ব্যাঙ্গালোরের লড়াই। কেকেআরের হয়ে মাত্র ২১ রান দিয়ে চার-চারটি উইকেট শিকার করেন নারিন। অন্যদিকে দুটি উইকেট তুলে নেন ফার্গুসন। টার্গেট সহজ মনে হলেও মাত্র ২৬ রানে আইয়ার এবং ২৯ রানে গিলকে হারিয়ে আজ বেশ বড় ধাক্কা খেয়েছিল কলকাতা। দুটি উইকেটই তুলে নিয়েছিলেন হর্শল প্যাটেল। এমনকি মাত্র ৬ রানের মাথায় ত্রিপাঠিকেও ফিরিয়ে দেন চাহাল। তবে এরপর অবশ্য ভালো প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন নীতিশ রানা। একইসঙ্গে বল হাতে নায়ক হয়ে ওঠার পাশাপাশি আজ ব্যাট হাতেও কেকেআরের ত্রাতা হয়ে ওঠেন নারিন। এই কঠিন পিচেও রীতিমতো সচ্ছন্দে ব্যাট করছিলেন তিনি।

https://twitter.com/KKRiders/status/1447616943813316608?t=RWuu2SEshb_OYyAUXWBV1Q&s=19

অবশ্য ১৫ তম ওভারে ২৩ রানের মাথায় রানার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোর ফের একবার ঘুরিয়ে দেন চাহাল। কার্তিক এবং নারিন কলকাতাকে জয়ের কিছুটা কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ঠিকই। কিন্তু ১৮ তম ওভারে একইসঙ্গে দুটি উইকেট তুলে নিয়ে সিরাজ বুঝিয়ে দেন বিনা যুদ্ধে এবার একটুও মাটি ছাড়বে না ব্যাঙ্গালোর। শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য তখনও দরকার ছিল ১২ রান। ক্রিজে ছিলেন অধিনায়ক মর্গ্যান এবং সাকিব। তবে এদিন কলকাতার জন্য আর নতুন কোন বিপদ আসতে দেয়নি তারা। শেষ পর্যন্ত তাদের দৌলতেই শেষ ওভারে ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় শাহরুখ খানের দল। এবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তারা মুখোমুখি হবে দিল্লির।

 

Related Articles

Back to top button