টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

মুকুলকে সম্মান জানাতে মমতা ব্যানার্জীর করা এই কাজ মন জয় করে নিল সবার, রইল ভিডিও

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য আজ ছিল এক সত্যিকারের বড়দিন। চার বছর আগে ঘরছাড়া মুকুল রায় ফের একবার ঘরে ফিরলেন এদিন। বিজেপিতে থাকলেও নির্বাচনের আগে থেকেই তার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে বিজেপির। সেই সূত্র ধরেই ফের একবার এদিন তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে এলেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহল বলে, তার এই দল ছাড়ার অন্যতম কারণ হলো সেভাবে সম্মান না পাওয়া। আজ ঘর ওয়াপাসির দিনেই তাই তাকে সসম্মানে বরণ করে নিল তৃণমূল। সম্মান শুধু যে কথায় তা নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়ে দিলেন ব্যবহারেও কিভাবে পুরনো নেতাকে সম্মান জানাতে হয়।

তৃণমূল কংগ্রেস ভবনের অনেকখানি পরিবর্তন হয়েছে প্রশান্ত কিশোর আসার পর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে নতুন ধরনের কাঠের হাতলওয়ালা বড় চেয়ার। সাধারণত নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকের জন্য সাদা তোয়ালে দিয়ে সুন্দর করে সাজানো এই ধরনের চেয়ারেই বসেন মমতা। কিন্তু আজ ছিল অন্য এক দিন। দলেরই আরেক বরিষ্ঠ নেতাকে ফের একবার নতুন করে বরণ করে নেওয়ার দিন আর তাই নিজের পরিচিত চেয়ারে আজ আর বসলেন না তিনি। কারণ সেটা সকলের থেকে আলাদা। তৃণমূল ভবনে ঢুকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই এত বড় চেয়ার রেখেছো কেন? ওটা সরিয়ে দাও। ওই যে ওই রকম চেয়ার নিয়ে এসো।”

পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি মুকুল রায় থেকে শুরু করে দলের আর সকলেই বসেছিলেন প্লাস্টিকের কালো চেয়ারে। নিজেও এদিন সেরকমই চেয়ার আনতে কর্মীদের নির্দেশ মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে আসলে এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করে দিতে চাইলেন দলের অন্য কারোর থেকে তার মর্যাদা এতোটুকু বেশি না! তিনিও তাদেরই লোক। সবসময়ই মা মাটি মানুষের সরকারের কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার শিকড় যে এখনো মাটিতেই আজ আরেকবার বুঝিয়ে দিলেন তিনি। তাই বরিষ্ঠ নেতা মুকুল রায়ের পাশে একই আসনে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বুঝিয়ে দিলেন দল আগে ব্যক্তি নয়।

Related Articles

Back to top button