টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

কঠোর মুডে মমতা ব্যানার্জী! মুছে দেওয়া হলো দেওয়াল লিখনও

দলের নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমানোর জন্য, পৃথক পৃথকভাবে দায়িত্ব বন্টন করতেও দেখা গেছে, কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি । মালদা জেলায় একাধিকবার গোষ্ঠীদ্বন্দ হয়েছিলো, তা অনেক চেস্টা করেও রাশ টানতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাদ্ধায়(mamata banerjee)। আর নিজের দল শৃংখলাবদ্ধ না হলে তিনি সে ক্ষেত্রে কাউকে ছাড়েনা সেটাও প্রমানিত হল। এদিন প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি এই নিয়ে আলাদা করে আর আলোচনা করবেন না। তৃণমূল নেত্রীর এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় চিন্তায় পড়েছে জেলার হেভিওয়েট তৃণমূল নেতারা। এদিন এই প্রসঙ্গে সুজিত সাহা বলেন, “অতি উৎসাহিত হয়ে কেউ কেউ দেওয়াল লিখেছিল। কিন্তু এই ঘটনা শিষ্টাচার বিরোধী। দল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি। তাই নিজেই উদ্যোগী হয়ে ওই দেওয়াল মুছে দিয়েছি।”

ইংরেজবাজার পৌরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে সুজিত সাহা, প্রার্থী হিসেবে কিছুদিন আগে নাম লিখে দেওয়াল লিখন করা হয়। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের েই নেতিবাচক আচরনের পর থেকেই নিজের হাতেই সেই দেওয়াল মুছতে দেখা যায় সুজিত সাহাকে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এতোটাই বেগতিক যে তা কি করে স্বাভাবিক হবে তা এখনো বোঝা সম্ভব হচ্ছে না। সব দেখে এই পরিস্থিতিতে ইংলিশবাজার পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী বলেন, “আমাকে নির্দিষ্ট কিছু এলাকার দায়িত্ব দিয়েছেন দলনেত্রী।বিগত লোকসভা নির্বাচনে আমাকে যে দায়িত্ব দল দিয়েছিল, তা পালন করার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি রাখিনি। এবারও মন দিয়ে নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করব।” সব শোনার পর আবার  রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বকুনি দিয়েছেন, তা ভালোর জন্যই দিয়েছেন। তিনি আমাদের যেভাবে স্নেহ করেন, তাতে আমাদের ভৎসনা করার পূর্ণ অধিকার তার রয়েছে। তিনি আমাকে শুধু মানিকচক বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে থাকতে বলেছেন।

আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।” এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিনের সৈনিক তথা ইংরেজবাজার পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল সরকার বলেন, “আমি তৃণমূল কংগ্রেসের শুরুর দিন থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর অনুগত সৈনিক। তিনি আমাকে বলেছেন, পৌরসভা এলাকার পাশাপাশি জেলা জুড়ে দলের স্বার্থে কাজ করতে হবে। আমি তাই করব।”

 

Back to top button