টাইমলাইনভারত

“পুলিশ চাইলে আমার ছেলে মরত না”- CBI তদন্ত চেয়ে বললেন পালঘরে মৃত সাধুর মা

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ সিবিআই তদন্ত চেয়ে পালঘর (palghar) সাধু হত্যা মামলার শুনানি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি এই ঘটনায় নিহত সাধু সুশীল গিরি মহারাজের মা আবারও এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘পুলিশ কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়েই পালঘরে আমার ছেলেকে মারধর করা হয়েছে। পুলিশ সেখানে দাঁড়িয়ে ভিডিও করছিল। তারা চাইলে আমার ছেলেকে বাঁচাতেই পারত। তাই আমি এই মামলায় সিবিআই তদন্ত চাইছি’।

মহারাষ্ট্র সরকার চায় না CBI তদন্ত
সুপ্রিম কোর্ট এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেও, মহারাষ্ট্র সরকার এবিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। গত ৬ ই অক্টোবর মহারাষ্ট্র সরকার এক হলফনামায় জানিয়েছে, এই ঘটনার বিষয়ে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রথম মামলায় পালঘর হত্যাকান্ডের সঙ্গে যুক্ত ১২৬ জনের বিরুদ্ধে এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১৮ জন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাজ্যের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল,  এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সহকারী পুলিশ পরিদর্শক আনন্দরাও কালেকে চাকরী থেকে বরখাস্ত করে হয়েছে। সেইসঙ্গে সহকারী পুলিশ উপ-পরিদর্শক রবীন্দ্র সালুনকে এবং প্রধান কনস্টেবল নরেশ দন্ডিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাকি পুলিশ কর্মীদের বেতন হ্রাস করে শাস্তির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

পালঘর মামলা
গত ১৬ ই এপ্রিল রাতে গুরুদেবের শেষকৃত্যে যোগ দেবার জন্য গাড়ি করে রওনা দিয়েছিল ৩ ব্যক্তি। রাতের অন্ধকারে গ্রামবাসি তাঁদের বাচ্চা চোর সন্দেহে আটক করে, মারধর করতে শুরু করে। উত্তেজিত গ্রামবাসীর হাতে মার খেয়ে প্রাণ হারায় ওই তিন জন। এই ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় ওঠে চারিদিকে।

মৃত ৩ জনের মধ্যে ২ জন ছিলেন সাধু, ৭০ বছর বয়সী মহারাজ কল্পবিকশগিরি এবং ৩৫ বছর বয়সী সুশীলগিরি মহারাজ। তাঁদের গাড়ির চালক হলেন ৩০ বছর বয়সী নিলেশ তেলগাদে। এই হত্যা কাণ্ডের সাথে যুক্ত ১৫৬ জন গ্রামবাসীকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ৩ পুলিশ কর্মীকে বরখাস্ত এবং ৩৫ জনের বদলিও করে দেওয়া হয়।

Back to top button