টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গভারতরাজনীতি

বাদল অধিবেশনে লাগাতার বিরোধীদের বিক্ষোভ, নাম না করেই ডেরেক-শান্তনুকে আক্রমণ মোদীর

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ চলতি মরশুমের বাদল অধিবেশনের হাওয়া প্রথম থেকেই গরম ছিল। একাধিক ইস্যু নিয়ে প্রথম থেকেই সরকারের বিরোধীতায় মত্ত ছিল বিরোধী দলগুলো। কখনও পেগাসাস ইস্যু, তো কখনও কৃষি বিল, আবার কখনও পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদের জেরে, অধিবেশনের বেশিরভাগ সময়টাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

বাদল অধিবেশনে চলতে থাকা বিরোধীদের প্রতিবাদের জেরে এবার কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)। গত সপ্তাহে কংগ্রেসদের কড়া বার্তা দেওয়ার পর, এবার বিরোধীদের বিক্ষোভের প্রসঙ্গ তুলে এনে, নাম না করেই আক্রমণ করলেন তৃণমূল তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন এবং ডেরেক ও ব্রায়েনকে।

সংসদের বাদল অধিবেশন চলাকালীন পেগাসাস ইস্যু নিয়ে তর্ক বিতর্ক সপ্তমে চড়েছিল। এরই মধ্যে একদিন কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী কাগজ হাতে নিয়ে পেগাসাস প্রসঙ্গে কিছু বিবৃতি দিতে উঠলে, তাঁর হাত থেকে কাগজ নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে দেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে অধিবেশন চত্বর। এমনকি বাদল অধিবেশন থেকে সাসাপেন্ডও করা হয় শান্তনু সেনকে।

এদিন এপ্রসঙ্গে শান্তনু সেনকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যিনি সেদিন কাগজ নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছিলেন, তাঁর বিন্দুমাত্র কোন অনুতাপ নেই। এরকম করাটা সংদের অপমান, সংবিধানের অপমান, মানুষের অপমান সর্বোপরি গণতন্ত্রের অপমান’।

পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের বিল পাস করানোকে পাপড়ি চাট তৈরির সঙ্গে তুলনা করে গতকাল ট্যুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তবে এবিষয়ে এদিন বলেন, ‘একজন বর্ষীয়ান সাংসদ, বিল পাস করানো নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেছেন’।

প্রধানমন্ত্রীর সুরে সুর মিলিয়ে ডেরেক ও ব্রায়েনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেন, ‘আমাদের কোন তাড়া নেই। আমার সব বিল নিয়েই আলোচনা করতে রাজী। কিন্তু তৃণমূলের এক সাংসদ যেভাবে সংসদের অপমান করছেন, তাঁর গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ’।

Related Articles

Back to top button