fbpx
টাইমলাইনভারত

একদিকে পেঁয়াজের দাম ১৫০ টাকা/কেজি, আর নির্মলা সীতারমণ বললেন ‘আমি পেঁয়াজ, রসুন খাই না”

বেশকিছু রাজ্যে বন্যা হওয়ার কারণে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছুঁয়ে গেছে। ফলস্বরূপ পেঁয়াজের দামের উপর সরকার লাগাম লাগাতে সম্পূর্ণভাবে ব্যার্থ হয়েছে। যার ফল ভুগতে হচ্ছে গরীব ও সাধারণ মানুষকে। ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় পেঁয়াজের ভিন্ন দামের খবর আসছে। তবে বেশিরভাগ জায়গায় পেঁয়াজের দাম ১২০ টাকা প্রতি কেজি থেকে ১৫০ টাকা প্রতি কেজি ছুঁয়ে গেছে। এর মধ্যে পেঁয়াজ এমন এক সবজি যা বেশিরভাগ রান্নার ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত হয়। তবে পেঁয়াজের এমন মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে দেশের অর্থমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেছেন যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সংসদ ভবনে বিরোধীরা পেঁয়াজের দাম নিয়ে সরকারের উপর আক্রমন করেছে। একজন MP জিজ্ঞাসা করেন আপনি পেঁয়াজ খান? এর উত্তরে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman) বলেন যে তিনি পেঁয়াজ খান না। নির্মলা সীতারমন বলেন তিনি এমন পরিবার থেকে আসেন যেখানে পেঁয়াজ, রসুনের ব্যাবহার হয় না। NCP এর সাংসদ সুপিয়া সুলে দেশে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন করলে সীতারমন বলেন, আমি এত পেঁয়াজ রসুন খায় না। পেঁয়াজের নিয়ে আমার কোনো মতলব নেই। অবশ্য পেঁয়াজ এর দামের বিষয়ে লাগাম লাগানোর উপর চর্চা করেন নির্মলা সীতারমন।

সীতারমন বলেন, তিনি পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে দেখছেন। বিরোধীরা প্রশ্নঃ তুলেছে যে সীতারমন পেঁয়াজ খান না, তাই বলে কি দেশের জনতাও পেঁয়াজ খাওয়া ত্যাগ করে দেবে। মূল্যবৃদ্ধির উপর লাগাম লাগানোর দায়িত্ব কার? দেশের অর্থমন্ত্রীর এমন মন্তব্য কতটা দুর্ভাগ্যজনক তাই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে শুধু পেঁয়াজের দাম নয়, দেশের অর্থব্যাবস্থা নিয়েও প্রশ্নঃ উঠেছে। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের GDP গ্রোথ রেট ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছিল।

কিন্তু অর্থমন্ত্রী পদে নির্মলা সীতারমন আসার পর থেকে স্থিতির পরিবর্তন ঘটে। এখন গ্রোথ রেট ৪.৫ হারে চলেছে। এটা সত্য যে এখনও গ্রোথ রেট কংগ্রেস সরকারের থেকে তুলনামূলকভাবে ভালো রয়েছে। কিন্তু সরকার ২০২৪-২৫ অবধি দেশকে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই হিসেবে দেশে এখন ডাবল ডিজিট গ্রোথ রেট প্রয়োজন। যার অর্ধেকও এখন দেখা মিলছে না। বিজেপি সমর্থকদের মধ্যেও এই ইস্যুতে ক্ষোভ দেখা গেছে। অনেক বিজেপি সমর্থক নেটিজন বলেছেন নির্মলা সীতারমনকে সরিয়ে শুভরামানিয়ান স্বামীকে অর্থমন্ত্রী পদে বসিয়ে দেওয়া উচিত। তা নাহকে পরিস্থিতি শোধরানো সম্ভব নয়।

Back to top button
Close
Close