টাইমলাইনভারত

মাত্র ১০ টাকায় মিলছে ১ কেজি মাংস, কিন্তু কিনছে না কেউই

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ করোনার (COVID-19) জেরে প্রভাবিত হয়েছে সাধারণ মানুষের খাবারও। করোনা আতঙ্কে রবিবারের মেনু থেকে অনেক দিন আগেই বাদ পড়ছে চিকেন। কমেছে ব্যপকহারে মুরগী বিক্রি। বিভিন্ন জায়গায় মুরগীর দাম কমেছে প্রচুর পরিমাণে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। মুরগী (Chicken) মুখি হতে চাইছেন না সাধারণ মানুষ। তাই প্রভূত ক্ষতির মুখোমুখি হয়ে পুণে (Pune) তে মাত্র ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ১ কেজি মাংস।

কিছুদিন আগে দেখা গিয়েছিল কর্ণাটকের বেলাগবি জেলার গোককের চাষী নজির আহমেদ মরন্দর, একটি ট্রাকে ৬০০০ হাজার মুরগী নিয়ে গিয়ে একটি মাঠের মধ্যে গর্ত করে সেখানে জ্যান্ত মুরগিগুলোকে চাপা দেন। এই ভিডিও ব্যাপকহারে ভাইরালও হয়েছিল। করোনার ফলে লসে রান করছে মুরগীর ব্যবসা। সবজির দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ফলে মধ্যবিত্ত মানুষদের এখন বাজারে গেলে মাথায় হাত। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। মুরগীর মাংসের সঙ্গে পেঁয়াজ ফ্রি দিলেও, সেভাবে মাংসের উপর থেকে অনেকটাই ঝোঁক কমে গেছে সাধারণ মানুষের।

খাদ্য সুরক্ষা ও মান নিয়ামক সংস্থা বা এফ এস এস এ আই এক বিবৃতি দিয়েছিল যে, মুরগির মাংস বা ডিম খেলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যেম তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে জীবজন্তুর মাধ্যেম এই রোগ ছড়াচ্ছে না। আর খাবার রান্না করার সময় সেটা ভালো করে ধুয়ে ভালো করে সেদ্ধ করে রান্না করলে, আর কোন সমস্যা থাকে না।

তাঁরা আরও বলেছিলেন যে, বিশ্বের কোন পোলট্রি ফার্ম থেকেই এই ভাইরাসের জীবাণু পাওয়া যায়নি। তার উপর ভারতে সব কিছুই রান্না করার সময় যেহেতু ভালো করে সেদ্ধ করে নেওয়া হয়, তাই এক্ষেত্রে রোগের কোন ঝুঁকি নেই। তাই বাকিদের কথায় কান না দিয়ে নিশ্চিন্তে মুরগির মাংস খেতে পারেন বলে জানায় তাঁরা। কিন্তু তাঁর পরও মুরগীর প্রতি আর আগের মতো চাহিদা নেই কারোরই।

Back to top button