টাইমলাইনভারতখেলাআন্তর্জাতিকক্রিকেট

টি-২০ বিশ্বকাপে পাহাড় চড়তে হবে ভারতকে, আমাদের থেকে ৩৬ কদম এগিয়ে পাকিস্তান

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুত কমবেশি সমস্ত দেশ। গতকাল নিজেদের দল ঘোষণা সম্পন্ন করেছে ভারতও। বিশ্বকাপে ভারত সফর শুরু করবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। যদিও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাস ঘাটতে গেলে পরিসংখ্যান অনুযায়ী পাকিস্তানের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত দুই দল মুখোমুখি হয়েছে মোট পাঁচবার। পাঁচবারই জিতেছে মেন ইন ব্লু। কিন্তু এবার খেলা আরব আমিরশাহীতে। ভারতের পক্ষে সেটাই হয়ে উঠতে পারে যথেষ্ট বিপদজনক।

কারণ আরব আমিরশাহীতে সেভাবে খেলার অভিজ্ঞতা নেই ভারতের। যদিও এখানে একটি গোটা আইপিএল খেলেছে তারা, কিন্তু আইপিএল এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ সম্পূর্ণ আলাদা। আর দুবাইতে এখনো পর্যন্ত কোন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা নেই ভারতীয় দলের। অন্যদিকে এক্ষেত্রে আমাদের থেকে প্রায় ৩৬ কদম এগিয়ে আছে পাকিস্তান। কারণ এখনও পর্যন্ত আরব আমিরশাহীতে ৩৬ টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে তারা। ইতিমধ্যেই অভিজ্ঞতায় যে তাদের পাল্লা অনেকটাই ভারি সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন ক্যাপ্টেন বাবর আজমও।

তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, আরব আমিরশাহীতে খেলা আমাদের জন্য হোম গ্রাউন্ডে খেলার সমান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এখনও পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান দু’দলই একবার করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। রাজনৈতিক কারণে যেহেতু দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়না, তাই তাদের দেখা হয় আইসিসি টুর্নামেন্টেই। টি-টোয়েন্টিতে দেখতে গেলে এখনও পর্যন্ত মোট আটটি টি-টোয়েন্টি খেলেছে দুই দেশ। যদিও এক্ষেত্রেও অনেকটাই এগিয়ে আছে ভারত তারা জিতে নিয়েছে সাতটি টি-টোয়েন্টি। তবে আরব আমিরশাহীতে খেলা সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।

দুবাইতে ২৪ অক্টোবর পাকিস্তান মুখোমুখি হতে চলেছে ভারতের। এখনও পর্যন্ত এই মাঠে মোট ২৫ টি ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তান, যার মধ্যে ১৪ টি ম্যাচেই জয় পেয়েছে তারা। পাকিস্তানের পর আরব আমিরশাহীতে সব থেকে বেশি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে আফগানিস্তানের। তারা এখানে খেলেছে মোট ৩৩ টি ম্যাচ। এছাড়া নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কারও আরব আমিরশাহীতে টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

 

Related Articles