টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

পুরসভার নির্বাচনে অর্পিতাকে প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন পার্থ! প্রকাশ্যে এল নয়া তথ্য

বাংলাহান্ট ডেস্ক : অর্পিতা মুখপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। নামটার সঙ্গে বাঙালির পরিচয় অদ্ভুত ভবেই হয়। হঠাৎ একদিন সাতসকালে রাজ্যের মানুষ জানতে পারে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) এল ‘বিশেষ বান্ধবী’ গ্রেফতার করছে ইডি। সেই শুরু। তারপর থেকেই বাংলার ঘরে ঘরে এখন রীতিমতো পরিচিত মুখ অর্পিতা। তার উত্থানটিও চমকপ্রদ। একটি শাড়ির দোকানের সেলস গার্ল থেকে ১০৩ কোটি টাকার মালিক তিনি! সেই অর্পিতা মুখোপাধ‌্যায়কে (Arpita Mukherjee) নির্বাচনি ময়দানে নামানোর পরিকল্পনাও নাকি করেন পার্থ। বছরে দেড় কোটি টাকার জীবনবিমার প্রিমিয়াম ‘অপা’র। ইডির (ED) দাবি, নগদ প্রায় ৫৮ কোটি টাকা উদ্ধার করেছেন আধিকারিকরা।। এরই সঙ্গে, গত পুরভোটে অর্পিতা মুখোপাধ‌্যায়কে কামারহাটি পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী করার চেষ্টা করেন পার্থ চট্টোপাধ‌্যায় (Partha Chatterjee)।

যদিও তা সফল হয়নি। সেই সময় দলেরই উত্তর ২৪ পরগনার নেতৃত্বের বাধায় পার্থর ইচ্ছা পূরণ হয়নি। তৃণমূলের সূত্রে খবর, শীর্ষ নেতারা পার্থকে প্রশ্ন করেন, অর্পিতা মুখোপাধ‌্যায় কে? দলের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক? স্থানীয় স্তরে নেতারা অর্থাৎ বিধায়ক মদন মিত্র বা গোপাল সাহারা অনুমতি দিলেই তবে প্রার্থী করা যাবে। এই মহিলাকে কেউ চেনেনই না। তবে পার্থ এত চেষ্টা করছেন কেন? বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার অনুরোধও করেন তৎকালীন তৃণমূলের মহাসচিব। কিন্তু অন‌্য নেতারা জেদ ধরায় সেই পরিকল্পনা আর সফল হয়নি।

অর্পিতাকে জিতিয়ে এনে কামারহাটি পুরসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানোর ইচ্ছা ছিল পার্থর। কিন্তু, যে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে অর্পিতার মা থাকতেন, সেই এলাকার তৃণমূল নেতারা অর্পিতাকে চিনতেনও না। একটি বস্ত্রবিপণিতে সেলস গার্লের কাজ করতেন অর্পিতা। সেখানেই নাকি পার্থ অর্পিতাকে প্রথম দেখেন।

জানা যাচ্ছে, প্রথম দেখাতেই অর্পিতার প্রেমে পড়েন পার্থ। ওই বিপণিতে মাঝেমধ্যেই যাতায়াত ছিল পার্থর। একবার সরাসরি অর্পিতাকে ডেকে নাম-ধামও জিজ্ঞাসা করেন তিনি। নিয়েছিলেন ফোন নম্বরও। সেই তথ‌্যও তদন্তকারী সংস্থার হাতে এসেছে। এছাড়া নিউ বারাকপুরের একটি নামি রেস্টুরেন্টেও নাকি নিয়মিত যাতায়াত ছিল পার্থ-অর্পিতার। একাধিক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারী আধিকারিকদের।

Related Articles