টাইমলাইনভারতরাজনীতি

গোটা বিশ্ব নাকি ভারতকে ধর্ষণের রাজধানী হিসেবেই চেনে, বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে রাহুল গাঁধী

বাংলা হান্ট ডেস্ক : হায়দরাবাদের মহিলা পশু চিকিত্সক গণধর্ষণ ও খুনের পর চার অভিযুক্তকে শুক্রবার এনকাউন্টার করেছে তেলেঙ্গানা পুলিশ আর এরই মধ্যে ঘটে গেছে আরও একটি ঘৃণ্য ঘটনা। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার পথে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয় উন্নাওয়ের নির্যাতিতাকে। যদিও সেই সময়ের জন্য বেঁচে গেলেও তার পরের দিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ওই নির্যাতিতা। এই ঘটনার পরে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। দেশের মানুষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে সেলিব্রিটিরা।

দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতেও সরব হয়েছেন বিভিন্ন স্তরের মানুষজন। আর এরই মধ্যেই শনিবার এক বিতর্কিত মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁধী। শনিবার কেরলের ওয়ানের থেকেই ভারতকে গোটা বিশ্বে ধর্ষণের রাজধানী হিসেবে নাকি বিশ্ব চেনে এমনটাই মন্তব্য করে কার্যত প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কটাক্ষ করেন রাহুল।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে নাকি ভারতের এখন পরিচয় ধর্ষণের রাজধানী হিসেবে, ভারত কেন ভারতীয় মা বোনেদের নিরাপত্তা দিতে পারে না এমন প্রশ্ন তোলা হয়েছে বিদেশিদের তরফে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন সেতু উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি বিধায়ক এই ধর্ষণ কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটাও কথা না বলে তিনি নিজে ঘৃণা ও হিংসার আদর্শে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেন রাহুল।

রাহুলের এই মন্তব্যের পর দেশজুড়ে নতুন সমালোচনা তৈরি করেছে। অন্যদিকে শুক্রবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে উন্নয়ের ওই নির্যাতিতার মৃত্যুর পর শনিবার সকালে উত্তরপ্রদেশের উন্নয়ের নির্যাতিতার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় উত্তর প্রদেশের মন্ত্রীদের। দোষীদের শাস্তির দাবিতে মন্ত্রীদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

অন্যদিকে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে থানায় গিয়ে ধর্নাও দেন অখিলেশ।

Related Articles

Back to top button