টাইমলাইনবিনোদন

‘বাহামণির কী হাল! পেট চালাতে এদের কী না করতে হয়!’ মনোকিনিতে আবেদন ছড়িয়ে ট্রোলড রণিতা

বাংলাহান্ট ডেস্ক: ২০১১ সালে টেলিভিশনে পথচলা শুরু করেছিল একটি সিরিয়াল, ‘ইষ্টি কুটুম’ (Ishti Kutum)। আর ওই সিরিয়ালের হাত ধরেই দর্শক মহলে পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘বাহামণি’ (Bahamoni) রণিতা দাস (Ranita Das)। আদিবাসী মেয়ে শহরের ‘অর্চি বাবু’র বউ হয়ে এসে জড়িয়ে পড়েছিল সংসারের জাঁতাকলে। সিরিয়াল বহু বছর হল শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাহা এখনো জনপ্রিয় দর্শকদের মধ‍্যে।

রণিতা দাসকে জনপ্রিয়তার শিখরে তুলেছিল ইষ্টি কুটুম। সে সময়ে ‘বাহা’ সবার মুখে মুখে। এখনো পর্যন্ত অনেকেই রণিতাকে তাঁর আসল নামের চাইতে বাহা নামেই বেশি চেনেন। দীর্ঘদিন পর্যন্ত বাহামণির লুকটাও ধরে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু সময় তো চিরদিন এক জায়গায় থেমে থাকে না।


থেমে নেই রণিতাও। অভিনয়ের পাশাপাশি একটি প্রযোজনা সংস্থা খুলেছেন তিনি বিশেষ বন্ধু সৌপ্তিক চক্রবর্তীর সঙ্গে। সৌপ্তিকের পরিচালনায় নিজে অভিনয়ও করেছেন ওয়েব সিরিজে। ক্রমাগত নিজের ছাঁচে ফেলে নতুন করে গড়ছেন রণিতা। এবার কার্যত আগল খুলে দিলেন তিনি।

শাড়ি হোক বা ওয়েস্টার্ন, রণিতাকে মানিয়ে যায় সবেতেই। কিন্তু এত বোল্ড, সাহসী লুকে এই প্রথম ধরা দিলেন তিনি। কালোর উপরে সাদা পোলকা ডট মনোকিনিতে পুলের নীল জলে কামনার আগুন জ্বালালেন রণিতা। সম্প্রতি একটি ফটোশুট করেছিলেন তিনি। কয়েকটি ছবি শেয়ার করে আগ্রহ উসকে দিয়েছিলেন। এবার গোটা ফটোশুটের একটা ভিডিও ভাগ করে নিলেন রণিতা, যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ নেটনাগরিকদের।

কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, এটাই কি বাহামণি! চেনাই যাচ্ছে না! কেউ আবার বাহার ভাষাতেই প্রশংসা করেছেন, ‘অনেক হট লাগছিস বটেক’। একজন লিখেছেন, জলে আগুন লেগে যাওয়ার মতোই অবস্থা। কটাক্ষও অবশ‍্য এসেছে, ‘বাহামণির কী হাল! পেট চালাতে এদের কী না করতে হয়!’


রণিতা অবশ‍্য একা হাতে সামলাচ্ছেন দুদিক। নিজের প্রযোজনা সংস্থার ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন, আবার রাজনীতির মঞ্চেও তিনি সক্রিয়। তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন আগেই। শাসক দলের মিটিং, মিছিল, সভায় মাঝে মধ‍্যেই দেখা যায় তাঁকে।

Related Articles