টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

মমতার বাংলা জয়ের ১১ বর্ষপূর্তি আজ, তার আগেই nano নিয়ে আবেগঘন পোস্ট রতন টাটার

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আজ 13 ই মে, শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঙ্গ বিজয়ের 11 বছর পূরণ হলো। সেই উপলক্ষ্যে এদিন সকাল থেকেই সিপিএমকে হারিয়ে প্রথমবারের জন্য বাংলায় ক্ষমতা দখলের মুহূর্তের ছবি পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের অগুনতি সমর্থকদের। এর ঠিক একদিন আগে রতন টাটা ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরেন তাঁর ন্যানো প্রকল্পের প্রসঙ্গ। ন্যানো প্রকল্পের শুরুর ইতিহাস এবং সেই পরিকল্পনা সম্বন্ধে একটি পোস্ট শেয়ার করেন তিনি। ফলে বলতেই হয়, বর্তমান সময় দাঁড়িয়ে এই দুটি ঘটনা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।

রতন টাটার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংঘাতের ইতিহাস জানেনা, এমন কোন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সিপিএমের শাসনকাল চলাকালীন বাংলার মাটিতে ন্যানো প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা প্রথম ভাবেন রতন টাটা। ঠিক এরপরেই দীর্ঘদিন ধরে তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জমি আন্দোলন চলে এবং পরবর্তীতে সিঙ্গুর থেকে স্বপ্নের প্রকল্প তুলে নিতে বাধ্য হন দেশের অন্যতম বড় এই শিল্পপতি। 2011 সালে সেই জমি আন্দোলনের মাধ্যমেই বাংলায় ক্ষমতায় আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলা থেকে সরিয়ে পরবর্তীকালে গুজরাটে স্থাপন করা হয় ন্যানো কারখানা। বলে রাখা ভালো, সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অবশ্য এত সংগ্রাম সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ন্যানো প্রকল্প সাফল্যের মুখ দেখতে ব্যর্থ হয়। গুজরাট থেকেও তাঁকে তুলে নিতে হয় এই প্রজেক্ট। আর দীর্ঘ 11 বছর পর গতকাল ন্যানো তৈরির পিছনে রহস্যের উদঘাটন করেন রতন টাটা।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Ratan Tata (@ratantata)

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লেখেন, “মুম্বইয়ের রাস্তায় আমি একাধিক সময় বিভিন্ন পরিবারকে স্কুটারে করে যেতে দেখতাম। সেখানে পরিবারের সদস্যদের মাঝে তাদের বাচ্চাকে কোনমতে বসে থাকতেও দেখা যেত। এরপরেই আমার মাথায় আসে এমন এক গাড়ি বানানোর কথা, যা নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি কমদামি হবে। আমি architecture-এর স্টুডেন্ট হওয়ার ফলে সময় পেলেই গাড়ির নকশা নিয়ে কাজ করতাম। প্রথমে অবশ্য দুই চাকার গাড়ি বানানোর কথা ভাবলেও পরবর্তীকালে আমরা ঠিক করি যে, চার চাকার নিরাপদ গাড়ি বানানোই শ্রেয়।”

Related Articles

Back to top button