টাইমলাইনভারতখেলাক্রিকেট

ক্ষোভে ফেটে পড়ে মিঁয়াদাদকে জুতো নিয়ে তাড়া করেছিলেন রবি শাস্ত্রী, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ক্রিকেট মাঠে ভারত পাকিস্তানের লড়াই সবসময়ই দারুন রোমাঞ্চকর হয়। যার জেরে মাঠের মধ্যে এমন অনেক ঘটনাও ঘটে যা দুই দলকেই উত্তেজিত করে তোলে।সেওয়াগের সঙ্গে শোয়েব আকতারের একাধিক তর্কবিতর্কের কথা প্রায় সকলেই জানেন। এবার এমনই এক ঘটনা কথা সামনে আনলেন ভারতীয় দলের বর্তমান প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী। কয়েকদিন আগেই স্টারগাজিংঃ দ্য প্লেয়ার্স ইন মাই লাইফ নামক নিজের একটি বই প্রকাশ করেছেন শাস্ত্রী। সেই বইতেই এই ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে যে ম্যাচের কথা এখানে উল্লেখ করেছেন শাস্ত্রী, তা ঘটেছিল ১৯৮৭ সালে পাকিস্তানের ভারত সফরে। পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াঁদাদ যেমন মারকুটে ব্যাটসম্যান ছিলেন তেমনি তার মেজাজও ছিল মারকুটে। আর তাকেই একবার ভালো শিক্ষা দিয়েছিলেন শাস্ত্রী। সে কথাই নিজের বইতে উল্লেখ করেছেন তিনি। হায়দ্রাবাদে একটি ওয়ানডে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে রবি শাস্ত্রীর ৬৯ এবং কপিল দেবের ৫৯ রানের সুবাদে ৪৪ ওভারে ২১২ রান করেছিল ভারত।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু করেছিল পাকিস্তান। ম্যাচ পৌঁছে গিয়েছিল উত্তেজনাকর মুহূর্তে। শেষ বলে জয়ের জন্য মাত্র দু রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু ঠিক এই সময় দুরান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান আব্দুল কাদির। ফলে ম্যাচটি শেষ হয় সমান সমান স্কোরে। কিন্তু যেহেতু ভারত ৬ উইকেট এবং পাকিস্তান ৭ উইকেট হারিয়ে ছিল, তাই শেষ পর্যন্ত জয়ী ঘোষণা করা হয় ভারতকে। এই ঘটনার পর রীতিমতো উত্তেজিত হয়ে পড়েন মিয়াঁদাদ।

ড্রেসিং রুমে এসে তিনি শাস্ত্রীকে বলেন, “ভারত চিটিং করে জিতেছে।” আর এতেই উত্তেজিত হয়ে উঠেন শাস্ত্রীও। জুতো নিয়ে তিনি মিয়াঁদাদকে তাড়া করেন পাকিস্তানের ড্রেসিংরুম পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত ঘটনা সামাল দেন ইমরান খান। পরে অবশ্য এই ঘটনাকে আর বেশিদূর গড়াতে দেননি শাস্ত্রী বা মিয়াঁদাদ কেউই। বরং ফ্লাইটে তারা একসাথেই যাত্রা করেন এবং ঘটনার মিটমাট করে নেন।

 

 

Related Articles

Back to top button