টাইমলাইনবিনোদন

দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ দৃশ‍্যে রূপার এই কাণ্ডের জন‍্য আসরে নামতে হয়েছিল খোদ পরিচালককে! বিষ্ফোরক অভিনেত্রী

বাংলাহান্ট ডেস্ক: ১৯৮৮ সালে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়েছিল মহাভারত (mahabharata) । সেই কালজয়ী ধারাবাহিক (serial) আবারও ফিরে আসে দীর্ঘ লকডাউনের সময়। আশ্চর্যজনক ভাবে দেখা যায়, তখন যে জনপ্রিয়তা ছিল এই ধারাবাহিকের এখনও তাই আছে।

তরুণ প্রজন্মও একইরকম ভাবে আপন করে নেয় এই ধারাবাহিক ও তার চরিত্রগুলোকে। আগেও যেমন সপ্তাহের শেষে সকলে একসঙ্গে টিভির সামনে বসতেন মহাভারত দেখার জন‍্য, লকডাউনেও তেমনি দৃশ‍্য দেখা যায়। জনপ্রিয়তা এতই বেড়ে যায় এই শোয়ের যে সব সোশ‍্যাল মিডিয়া প্ল‍্যাটফর্মেই ট্রেন্ডিং তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নেয় মহাভারত।


দ্রৌপদীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রূপা গাঙ্গুলী। বর্তমানে তিনি রাজ‍্য সভার সদস‍্য। মহাভারতে অভিনয় করার পর খ‍্যাতির চূড়ায় ওঠেন রূপা। অত‍্যন্ত জনপ্রিয়তা এনে দেয় তাঁকে এই ধারাবাহিক। অবশ‍্য দ্রৌপদীর কঠিন চরিত্রটি আয়ত্তে আনার জন‍্য কঠোর পরিশ্রমও করতে হয়েছিল রূপাকে।

জানা যায়, প্রথমে দ্রৌপদীর চরিত্রের জন‍্য জুহি চাওলাকে পছন্দ করেছিলেন পরিচালক বি আর চোপড়া। কিন্তু সেই সময় ছবির শুটিংয়ে ব‍্যস্ত ছিলেন জুহি। তাঁর সময় না হওয়ায় এই চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব এসে পৌঁছায় রূপার কাছে। এই একটি চরিত্রই তাঁর কেরিয়ারের গতিপথ ঘুরিয়ে দেয়।


অভিনেত্রী এক সময় জানিয়েছিলেন, মহাভারত ধারাবাহিকে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের দৃশ‍্যটি শুটিং করার সময় সত‍্যি সত‍্যিই চোখে জল এসে গিয়েছিল তাঁর। শুটিং করতে করতেই হাউহাউ করে কেঁদে বেলেছিলেন তিনি। আসলে দ্রৌপদীর চরিত্রটির সঙ্গে এতটাই জড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি যে তাঁর ব‍্যথা স্পর্শ করে গিয়েছিল রূপাকে।

অভিনেত্রী জানান, টানা এক ঘন্টা অঝোরে কাঁদার পর শান্ত হন তিনি। তাঁকে সামলানোর জন‍্য এগিয়ে আসেন খোদ পরিচালক ও অন‍্যান‍্য অভিনেতাদের। তবে তাঁর অভিনয় দক্ষতা এতটাই ছিল যে এতক্ষণ কাঁদার পরেও একবারেই সেই শট ওকে করেন রূপা।

Related Articles

Back to top button