টাইমলাইনবিনোদন

স্টেজ ফোরে ক‍্যানসার, সন্তানদের দুবাইতে ফেলেই দ্রুত মুম্বই ফিরতে হল সঞ্জয় দত্তকে

বাংলাহান্ট ডেস্ক: কিছুদিন আগেই দুই সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে স্ত্রী মান‍্যতার সঙ্গে দুবাই (dubai) উড়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত (sanjay dutt)। কিন্তু বেশিদিন সন্তানদের সঙ্গে থাকতে পারলেন না তিনি। হঠাৎ করেই ফের মুম্বই ফিরতে হল অভিনেতাকে।

গতকাল, ৩০ সেপ্টেম্বর আচমকাই স্ত্রী মান‍্যতার সঙ্গে আবারো মুম্বই ফিরে এলেন সঞ্জয় দত্ত। জানা গিয়েছে, তৃতীয় পর্যায়ের কেমোথেরাপি খুব শীঘ্রই শরু হতে চলেছে তাঁর। তাই বাধ‍্য হয়ে সন্তানদের ছেড়ে আবার মুম্বই ফিরতে হল সঞ্জয় দত্তকে। দুই সন্তান রয়েছে দুবাইতেই।


দুবাই উড়ে যাওয়ার সময় শোনা গিয়েছিল সেখান থেকেই সোজা চিকিৎসার জন‍্য মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেবেন সঞ্জয় দত্ত। কিন্তু এর মাঝে কয়েকটি ছবির শুটিং শুরু করে দেওয়ায় আপাতত আমেরিকা যাওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছেন তিনি।

দুবাইতে পড়াশোনা করছে সঞ্জয় ও মান‍্যতার দুই ছেলে মেয়ে। লকডাউনের সময়টায় মান‍্যতাও দুবাইতেই ছিলেন। লকডাউন ঘোষনা হওয়ায় সেখানে গিয়ে মান‍্যতা আটকে যান বলে জানান সঞ্জয়। পরে তিনি ভারতে ফিরলেও দুবাইতেই রয়ে গিয়েছে ছেলে মেয়েরা।

প্রসঙ্গত, মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালেই কেমোথেরাপি শুরু করেছিলেন সঞ্জয় দত্ত। হাসপাতাল সূত্রে আগে খবর পাওয়া গিয়েছিল, এই মুহূর্তে বিদেশে না গেলেও সেখানকার হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে শলা পরামর্শ করেছেন অভিনেতা। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতোই পরামর্শ দিয়েছেন আমেরিকার চিকিৎসকরা। তাই আপাতত মুম্বইতেই চিকিৎসা করাচ্ছিলেন সঞ্জয় দত্ত।

এর আগে জানা গিয়েছিল, আমেরিকার মেমোরিয়াল সোলান কেরাটিং ক‍্যানসার সেন্টারে চিকিৎসা করাবেন অভিনেতা। ওই হাসপাতালেই প‍্যানক্রিয়াটিক ক‍্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ছিলেন তাঁর মা নার্গিস।

ক‍্যনসার ধরা পড়ার পর থেকেই আমেরিকার ভিসার জন‍্য আবেদন করেছিলেন সঞ্জয় দত্ত। আমেরিকা বা সিঙ্গাপুর যেকোনও একটি জায়গায় যাওয়ার ছাড়পত্রের জন‍্য কেন্দ্রীয় সরকারকে আবেদন করেন সঞ্জয়। কিন্তু আমেরিকা যাওয়ার ভিসা পাননি তিনি।

প্রথমে জানা যায়, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির জন‍্যই বিদেশ যাওয়ার পর অনুমতি মেলেনি সঞ্জয়ের। বাধ‍্য হয়ে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শুরু হয় অভিনেতার কেমোথেরাপি।

সম্প্রতি জানা গিয়েছে, ১৯৯৩ তে মুম্বই হামলায় নাম জড়িয়ে থাকার জন‍্যই বিদেশে যাওয়ার অনুমতি পাননি সঞ্জয়। অবশেষে এক বন্ধুর সহায়তায় পাঁচ বছরের জন‍্য আমেরিকায় চিকিৎসার জন‍্য মেডিকেল ভিসা পান সঞ্জয়।

Back to top button