রাজ্যে ফের কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ! বড় নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গত বছর রাজ্য জুড়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। সেই নিয়ে শোরগোল। আর এবার সরকারি স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণ প্রকল্পে (School Uniform Scheme) কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ প্রকাশ্যে উঠে এল। যার ভিত্তিতে জেলাশাসককে তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। নানা প্রকারের দুর্নীতির মাঝে ফের নয়া দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে আসতেই হইচই।

কী জানা যাচ্ছে? মমতা সরকার ক্ষমতায় আসার পর বহুদিন আগেই প্রথম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে স্কুলের পোশাক দেওয়ার প্রকল্প চালু করেছিল। যার জেরে উপকৃত লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া। তবে এই নিয়েও নাকি দুর্নীতি। ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয়েছে মামলা।

অভিযোগ, উত্তর দিনাজপুর জেলার গোপালপোখর-১ নম্বর ব্লকে সরকারি স্কুল ইউনিফর্ম প্রকল্পে সাড়ে ৮ কোটিরও বেশি টাকা নয় ছয় হয়েছে। মামলাকারীর অভিযোগ, ওই প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয় মিলনমেলা মহাসংঘ নামে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে। তবে পুরো টাকা নিয়েও তারা স্কুলে পোশাক সরবরাহ করেনি বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: ‘এজেন্সিকে ভয় পাবেন না, আমার পরিবারকেও তো হেনস্থা করছে’, কাদের বার্তা দিলেন মমতা?

মামলাকারীর আরও অভিযোগ, যেই গোষ্ঠীকে ওই টাকা দেওয়া হয় তারা কেউই পোশাক তৈরির কাজের সঙ্গে নিযুক্ত নয়। প্রকল্পের টাকা ঢুকতেই মিলনমেলা মহাসংঘ নামক ওই গোষ্ঠীকে তড়িঘড়ি সব টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই নয়ছয়ের বিষয়ে জেলাশাসক, বিডিও থেকে শুরু করে একাধিক সরকারি আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মামলাকারী।

Calcutta High Court,DM,School Uniform Scheme,North 24 Parganas,Corruption,কলকাতা হাইকোর্ট,জেলাশাসক,স্কুল ইউনিফর্ম প্রকল্প,দুর্নীতি,উত্তর দিনাজপুর,Bangla,Bengali,Bengali News,Bangla Khobor,Bengali Khobor

আরও পড়ুন: জোড়া ঘূর্ণাবর্ত! কিছুক্ষণের মধ্যেই দুর্যোগ এই ৫ জেলায়, সবথেকে ভয়ঙ্কর আপডেট দিল হাওয়া অফিস

সোমবার প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা দায়ের হলে উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালতের আরও নির্দেশ, মামলাকারীকে সমস্ত অভিযোগ ফের জেলাশাসকসহ সমস্ত তদারককারী সংস্থার কাছে জানাতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগ পাওয়ায় আট সপ্তাহের মধ্যে জেলাশাসককে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সময় বেঁধে দিয়েছে আদালত।